Wednesday, 11 May 2016

রিক্সা চালিয়ে ছাত্রলীগ কর্মী জিসান দেশ সেরা উদ্ভাবক


একর ব্যাতিক্রম গল্প যে কিনা রিক্সা চালিয়েও হাল ছারেনি এই জিসান। দিন রাত পরিশ্রম করে নিজের প্রযুক্তিতে তৈরী করেছেন তিনটি জ্বালানী সাশ্রয়ী গাড়ী হয়েছেন দেশ সেরা। শুধু দেশে না আন্তর্জাতিক অংগনে আলোচনার পাএ হয়েছেন এই অনাবদ্ধ মানুষ, নিজের ঝোলায় পুড়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরুস্কার।

অংশগ্রহণকারী দল::: বুয়েট “” রুয়েট “” আহাসানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয় “” এম.আই.এস.টি” বি.টি.এস.সি আয়োজক:::: জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোর্পারেশন এজেন্সি।

২০১১ইং সালে জ্বালানী সাশ্রয়ী গাড়ী তৈরীতে মন নিবেশ করি এবং আমি সফল হই। গাড়ীটি এক লিটার পেট্রোল এ ১২০ কিঃমিঃ পথ অতিক্রম করে। এর পরে জাপানি সাহায্য সংস্থা জাইকা ২০১৩ইং সালে একটি প্রতিযোগিতার আযোজন করেন। এই প্রতিযোগিতার বুয়েট ” রুয়েট “এম.আই.এস.টি ” রুয়েট ” আই.ইউ.টি” কুয়েট “আমি বরিশাল টি.এস.সি থেকে অংশগ্রহণ করি। ৪র্থ স্থান অধিকার করি তেমন ভাল করতে পারিনি তাই ফিরে এসে প্রতিজ্ঞা করি আমাকে চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে। সে লক্ষে কাজ করি । ছয় মাস এ গাড়ীর দুইটি নকশা তৈরী করি এর পর শুরু করি মূল কাজ প্রধান সমস্যা ছিল টাকা কারন আমি নিতান্তই গরীব ঘরের সন্তান ‘এই পরিস্তিতে গাড়ী তৈরীর খরচ ছিল খুবই কঠিন কিন্ত আমার লক্ষ একটাই ছিল আমি চ্যাম্পিয়ন হবোই।বাবা’র সাথে কথা বল্লাম বাবা আমাকে অভয় দিয়ে বলে তুমি তোমার কাজ চালিয়ে যাও হাল ছেরো না ‘ বাবা বাড়ি’র গাছ বিক্রয় সহ বিভিন্ন উপায়ে আমাকে টাকা দিতে থাকে।এ ছারা আমি সাহায়্যর জন্য বিভিন্ন কর্তা ব্যাক্তির কাছে দৌর জাপ করেছি ” গিয়েছিলাম রাজনৈতিক কর্তাদের কাছেও কারন আমি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর একটি গুরুত্ব পূর্ণ সংগঠন ছাএলীএর সাথে জরিত তারা দিব দিব বলে দিয়েছে শুধু মিথ্যা আশ্বাস। শত প্রতিকুলতার মধ্যেও আমি আমার লক্ষে ছিলাম অটুট।


এমন কি রাতের আধারে মাথায় গামছা বেধে চালিয়েছি রিক্সাশ। এই আইডিয়া টা দিয়ে ছিলেন বরিশাল এর আগের ডি.সি মহোদয় শ্রদ্ধেয় শহিদুল আলম স্যার তবে সে বলেছিলেন মাহিন্দ্রা বা অটো চালিয়ে টাকা উপার্জন করে গাড়ী তৈরি করতে। অনেক রাত অভুক্ত থেকেছি কিন্তু হাল ছারিনি।আমার এই কথা গুল ধনি মানুষদের কাছে কিছুই মনে হবে না।

কিন্তু আমার কাছে ছিল একটি যুদ্ধের মত এমন কি ঐ দুই বছরে নতুন কোন জামা প্যান্ট ও কিনতে পারি নাই। সময় শেষ এর দিকে রাত দিন গাড়ীর কাজ করতে থাকলাম কাজ করার সময় দূর্ঘটনা ও শিকার হয়ে হাসপাতালেও ছিলাম।হাল ছারিনি সবাই আমাকে বলো এই পাগলামি বাদ দিয়ে ভালো কিছু করো আমি তখন ভাবতাম আমি মনে হয় ভাল কিছু করছি কারন আপনার কাজ দেখে যদি মানুষ না হাসে তাইলে সেটা কাজ এর মধ্যেই পরে না।এসে গেল সেই স্বপের দিন ১৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠান শুরু হল আমার দুটি গাড়ি দুটি ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয় একটি সব চাইতে কম জ্বালানি ব্যাবহার করে পথ অতিক্রম করে আর অন্য টি সকল বিভাগে শেরা হয়।


(২০১৩ইং এ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলায় অংশগ্রহণ করে বরিশাল জেলায় প্রথম এবং জাতীয় পার্যায় ২য় স্থান অধিকার করি :::::এখানে আরো একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় বিজ্ঞান ও গবেষনা খাতে কেন বারাদ্দ নাই।)

থাকলে হয়তো আমাকে এতটা কষ্ট করতে হত না। ::::তাই মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয় এর কাছে এই প্রকল্পটির জন্য সাহায়্যর আবেদন করছি এখন আমার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করলে সাধারন মানুষ সহ দেশর উন্নায়ন এবং ডিজিটাল দেশ গড়ায় সহায়ক ভূমিকা রাখবে। লেখাটি কারো কাছে বিরক্তির কারন হলে ক্ষমা চাইছি।

No comments:

Post a Comment