Saturday, 30 April 2016

দেশের তৃতীয় নারী ওসি মর্জিনা আক্তার মর্জু।

::  চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট থানায় যোগ দিলেন দেশের তৃতীয় নারী ওসি মর্জিনা আক্তার মর্জু। চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে সিএমপি কমিশনার এক আদেশে ওসি মর্জিনাসহ পাঁচজন পুলিশ পরিদর্শককে নতুন দায়িত্ব দেন।

সিএমপি সূত্র জানায়, কমিশনারের ওই আদেশে সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মর্জিনা আক্তার মর্জুকে একই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও পুলিশ পরিদর্শক রুহুল আমিনকে সদরঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এছাড়া পদোন্নতি পেয়ে সদ্য পরিদর্শক হওয়া বিকাশ সরকার, মুহাম্মদ মঈন উদ্দিন ও দেবপ্রিয় দাশকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের বিশেষ শাখায় পরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সালে ১৭ মে দেশের প্রথম নারী ওসি হিসেবে দায়িত্ব পান ঢাকা মহানগর পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি হোসনে আরা বেগম। এরপর একই বছরের সেপ্টেম্বরের শুরুতে দ্বিতীয় নারী ওসি হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের চান্দগাঁও থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন রওশন আরা।

সর্বশেষ দেশের তৃতীয় ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের দ্বিতীয় নারী ওসি হিসেবে যোগ দিলেন মর্জিনা আক্তার মর্জু। বর্তমানে দায়িত্বপালনরত একমাত্র নারী ওসি তিনি।

তবে গত ২৪ মার্চ থেকে অতিরিক্ত দায়িত্বে সদরঘাটের ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) মর্জিনা।

এ প্রসঙ্গে সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, বর্তমান সরকার নারীবান্ধব সরকার। নারীর ক্ষমতায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। অপরাধ দমনে পরিদর্শক মর্জিনা গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা রেখেছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে তাকে সদরঘাট থানার ওসির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আশা করছি তিনি সফল হবেন। আমরাও তাকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবো।

নব নিযুক্ত সদরঘাট থানার ওসি মর্জিনা আক্তার মর্জু বলেন, বিগত সময়ে বেশকিছু ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন করেছি। পদোন্নতি পাওয়ায় আমার কাজের স্পৃহা আরো বেড়ে গেছে। নতুন পথচলায় আমি সবার দোয়া চাই।

©ctgtimes

Friday, 29 April 2016

ছেলেমেয়েকে জিম্মি করে মাকে গণধর্ষণ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় ছেলেমেয়েকে জিম্মি করে মাকে (৪০) মারধর ও গণধর্ষণ করা হয়েছে। গত বুধবার রাত ২টার দিকে নির্যাতন শেষে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে লুট চালিয়েছে।

ওই নারীকে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস (ওসিসি) কেন্দ্রে পাঠাতে বলা হয়।

ওই নারী জানান, তাঁর স্বামী ওমানপ্রবাসী। বাড়িতে ছেলেমেয়ে নিয়ে তিনি থাকেন। এ সুযোগে কয়েক মাস ধরে স্থানীয় বখাটে নাজেম উদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিন কুপ্রস্তাব দেয়। প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্ত করে আসছিল তারা। এর প্রতিবাদ করায় নাজেম, গিয়াসসহ চার-পাঁচজন সশস্ত্র বখাটে গভীর রাতে বাড়ির দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে। এরপর তাঁর ওপর নির্যাতন করে তারা। একপর্যায়ে চিত্কার-চেঁচামেচি শুরু করলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

ওই নারীর ভাই বলেন, ‘বোনকে নির্যাতনের পাশাপাশি বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা ও একটি সোনার চেইন নিয়ে গেছে। এ সময় ভাগ্নে-ভাগ্নিসহ পরিবারের চার সদস্যকে মারধর করে তারা। এ ঘটনায় বোন থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।’

চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. নাজেম উদ্দিন বলেন, ‘ওই নারীর শরীরের একাধিক স্থানে জখমের চিহ্ন ছিল।’

চকরিয়া থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘এমন ঘটনা ঘটেছে কি না, তা আমি জানি না। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

©কালের কন্ঠ

দেবীদ্বারে ধানখেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার

দেবীদ্বারে ধানখেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ধানখেত থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত যুবকের গলিত লাশের পরিচয় মিলেছে। গত বুধবার দুপুরে দেবীদ্বার উপজেলার ৬নং ফতেহাবাদ ইউনিয়নের কোটনা (নোয়াবগঞ্জ) গ্রামের মধ্যপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশের নির্জন বিলে একই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য গণী মিয়ার ধানখেত থেকে ওই যুবকের গলিত লাশ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।

উদ্ধারের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক, অনলাইন ও বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে স্বজনেরা নিহত যুবকের পরিচয় সনাক্ত করেছেন। নিহত যুবক দুবাই প্রবাসী মোঃ স্বপন মিয়া (২৬) ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার রানীগাছ গ্রামের মোঃ মুজাফ্ফর আলীর পুত্র। বুধবার বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে দেবীদ্বার থানা পুলিশ কর্তৃক অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধারের সংবাদে নিহতের বড় ভাই পূবালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও তার নিকট আত্মীয় হাজী নেয়াব মিয়া থানায় এসে লাশের ছবি দেখে এবং পরিহিত শর্টপ্যান্ট দেখে লাশ সনাক্ত করেন।

নিহতের বড় ভাই পূবালী ব্যাংক প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার ভাই মোঃ স্বপন মিয়া (২৬) প্রায় ৬বছর ধরে দুবাই প্রবাসী হিসেবে ছিল। গত জানুয়ারী মাসে ৩ মাসের ছুটি নিয়ে দেশে আসে। আগামী ৪ এপ্রিল দুবাই চলে যাওয়ার কথা ছিল। গত ২৪ এপ্রিল সোমবার সকালে বুড়িচং উপজেলার তার এক বন্ধু মোবাইল ফোনে বুড়িচং খেয়াঘাটে ডেকে নেয়। তার পর বিকেলে আমার ভাইয়ের মোবাইল ফোন থেকে ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবী করে। আমরা তাৎক্ষনিক দেড় লক্ষ টাকা আমার ভাইয়ের মোবাইল ফোনে বিকাশ করে পাঠাই। আমার ভাই কোথায় আছে, কখন ফেরত দেবে তার কোন সঠিক উত্তর পাইনি। পরে ওই দিনই ব্রাহ্মণপাড়া থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করি। এর পর আমার ভাইয়ের মোবাইল ফোন থেকে বাকী টাকার জন্য চাপা চাপি করলেও ভাইকে কখন দেবে, কোথায় আছে তার ঠিকানা দেয়নি। টাকা দিলেই ছেড়ে দেবে বলে জানায়। আমরা বুধবার সকালে আরো ৭৫ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাই। তার পর ওই মোবইল সেট বন্ধ থাকায় আর যোগাযোগ করতে পারি নাই। বুধবার বিকেলেই জানতে পারি দেবীদ্বার থানা পুলিশ এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে। (জিডি নং- ৭৫৫, তারিখ- ২৪/০৪/১৬ইং)। আমার ভাই স্বপন সব সময় যে শর্ট প্যান্টটি পড়ে থাকত। লাশের পরনে ওই প্যান্টটি দেখেই সনাক্ত করতে পেরেছি।

দেবীদ্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, নিহত যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে। ওই ঘটনায় প্রথমে থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করা হয়েছিল। ডায়েরী নং- ৯১৯, তারিখ- ২৭/০৪/১৬ইং। লাশের ছোরত হালে হাটুর উপরের অংশে ক্ষত চিহ্ন ও লাশের ধরন দেখে মনে হল এটি হত্যাকান্ড। সে কারনে দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) মোঃ সোহেল আহমেদকে বাদী করে একটি হত্যা মামলা দায়েরপূর্বক একই থানার উপ-পরিদর্শক (এস.আই) আশিকুর রহমানকে মামলার তদন্তভার দেয়া হয়। পরে নিহতের স্বজনেরা এসে লাশ সনাক্ত করেন। ওই ঘটনায় হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও আসামীদের গ্রেফতার অভিযান চলছে। আশা করি খুব শীঘ্রই খুণিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে পারব।

উল্লেখ্য, নিহত যুবকের শরীরের পেটের অংশ ও মুখমন্ডল পঁচে পোকায় বাসা বেঁধেছিল। বুকের হাড়গুলো ভেসে উঠলেও পরনে নীল রং এর একটি জিন্সের প্যান্ট এবং নীল রঙ্গের একটি শার্ট পরিহিত থাকায় ওই অংশটি পঁচে গেলেও অক্ষত ছিল।

জ্বালানী তেলের দাম কমায় দিনাজপুর শহর ছাত্রলীগের শুভেচ্ছা মিছিল

আশ্চর্য্য সাহসী রাজনীতিকের নাম জননেত্রী শেখ হাসিনা। যার সুদুর প্রসারী পরিকল্পনায় ভবিষ্যতের বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে চলছে।

আমেরিকার রাজনীতি বিদরা বাংলাদেশকে “তলাবিহিন ঝুড়ি বলে মন্তব্য করে তারা সে সময়ে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন বাংলাদেশকে  কোন প্রকার সাহায্য, সহযোগিতা না করার জন্য। আজ তারাই বলছেন বাংলাদেশকে এশিয়ার একটি মডেল দেশে রূপান্তরিত হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ।

২৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জ্বালানী তেলের দাম কমানোর কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়ে দিনাজপুর শহর ছাত্রলীগ আয়োজিত শুভেচ্ছা মিছিল পূর্ব সমাবেশে শহর ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক নজরুল ইসলাম জুয়েল এর সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম আহবায়ক হারুন-উর-রশিদ রায়হান এর সঞ্চালনায় মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তারা এ কথা বলেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শহর ছাত্রলীগ নেতা মাহামুদুল হাসান সিঙ্গেল, ছাত্রলীগ আদর্শ কলেজ শাখার সাধারন সম্পাদক অমি হাসান, ছাত্রলীগ পলিটেকনি ইনস্টিটিউট শাখার সাধারন সম্পাদক আরমান, ছাত্রলীগ নেতা রাজু, অনিত কুন্ডু, রাব্বি, রক্তিম, কুশল, স্বর্ণ, বর্ণ, পাভেল প্রমুখ।

courtesy:dinajpur news

ষষ্ঠ ধাপের তফসিল ঘোষণা : ৭২৪ ইউপির ভোট আগামী ৪ ই জুন


চলমান ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপের তফসিল বৃহস্পতিবার ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ৭২৪টি ইউপির ভোট আগামী ৪ জুন অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের সর্বশেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ মে। ১১-১২ মে মনোনয়নপত্র বাছাই করবেন রিটার্নিং অফিসাররা। ১৩-১৫ মে আপিল দাখিল, ১৬-১৮ মে আপিল নিষ্পত্তির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৯ মে। আগামী ২০ মে চূড়ান্ত প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। এ ধাপের মধ্য দিয়েই তৃণমূলের এ নির্বাচনের সমাপ্তি ঘটবে।

এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি প্রথম ধাপে ৭৫২টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করে কমিশন। তবে আইনি জটিলতার কারণে ওই ধাপে ৭২৫টি ইউপিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় ধাপে ৬৮৪টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এই ধাপেও আইনি জটিলতায় ৩১মার্চ নির্বাচন হয় ৬৩৯টি ইউপিতে। গত ১৫ মার্চ তৃতীয় ধাপে ৬৮৫টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হয়। এ ধাপে ২৩ এপ্রিল ৬১৫টি ইউপিতে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৭ মার্চ চতুর্থ ধাপে ৭৪৩টি ইউপির তফসিল ঘোষণা হয়। আগামী ৭ মে এ ধাপে ৭২৫টি ইউপিতে ভোট হবে। ২১ এপ্রিল পঞ্চম ধাপে ৭৩৩টি ইউপির তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। ভোট হবে আগামী ২৮ মে।

Thursday, 28 April 2016

’আপনি’ অনেক বড় পাপী,‘আপনার‘ সব কথা শোনা পাপ:সেতুমন্ত্রীকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা

টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করে ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ। ক্ষমতার চিরচেনা স্বার্থের দ্বন্দ্বে অনেক ত্যাগী, পুরনো নেতাকর্মীরা হতাশা, ক্ষোভ ও বঞ্চনায় মুখ লুকিয়ে বেড়ান। কিন্তু আর আজ সময়ের স্রোতে তেমনি একজন প্রাক্তন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নেতার ক্ষোভের মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি-৩/এ প্রিয়াংকা কমিউনিটি সেন্টারে দফতর উপ-কমিটির সভায় এমন ঘটনা ঘটে।

গত ২০ মার্চ গণভবনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে ১০ ও ১১ জুলাই সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়। এরপর গত ১১ এপ্রিল ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্মেলন প্রস্তুত কমিটিসহ ১১টি উপ-কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

কমিটির ঘোষণার পর থেকে বিভিন্ন উপ-কমিটিগুলো তাদের প্রস্তুতি সভা করছিল। তেমনি আজ প্রথম দফতর উপ-কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয় প্রিয়াংকা কমিটিউনিটি সেন্টারে। কিন্তু সভার শেষ মূর্হুতে ঘটে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। ঘটনার শুরু সভা শেষ করার শেষ সময়ে।

সভাকক্ষে উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতাদের উদ্দেশ্যে উপ-দফতর কমিটির আহ্বায়ক ওবায়দুল কাদের বলেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের কারও কিছু বলার আছে। এসময় সভাকক্ষে উপস্থিত মোশাররফ হোসেন রাজা বলেন, আমার বক্তব্য আছে স্যার। প্রতি উত্তরে ওবায়দুল কাদের বলেন, কি? এরপর সভাকক্ষে বক্তব্য শুরু করার চেষ্টা করেন রাজা। কিন্তু দফতর উপ-কমিটির আহ্বায়ক সেতু মন্ত্রী বলেন, ‘না না এটা ভাষণ দেয়ার সভা না।

তার জবাবে রাজা বলেন, ‘কাদের ভাই, আজকে দিতেই হবে। গত ৩৮ বছরে আপনি ৩৮ মিনিটও কথা বলার সুযোগ দেননি। আমরা সাবেক ছাত্রলীগের কর্মীরা কিভাবে দিন কাটাচ্ছি ? কিভাবে রাজনীতি করছি?  বিরোধীদলের সময় আমরা জেল খেটেছি, জেল থেকে বের হয়েছি কিনা, কখনো খোঁজও নেননি।

এর জবাবে কাদের বলেন, আমি তোমার সাথে পরে কথা বলব। তার জবাবে রাজা বলেন, ‘না কাদের ভাই, আমার কথা শুনতে হবে। কমিটির বিষয় না। বিষয় ক্ষমতা-সমতা। তার জবাবে কাদের বলেন, আপনার কথা শুনবো? জবাবে রাজা আরও বলেন,  আপনি অনেক বড় পাপী, আপনার সব কথা শুনা পাপ।

কাদের বলেন, কেন? সভাপতির আসনে বসা ওবায়দুল কাদের রাজার উদ্দেশ্যে মৃদুস্বরে বলেন, ‘অসুস্থ ছেলে। তা শুনে আরও ক্ষিপ্ত এবং রাগান্বিত হয়ে ওঠেন রাজা। তখন তিনি সেতু মন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, স্যার একবারও আর অসুস্থ ছেলে বলবেন না।

এসময় সভা কক্ষে কিছু নেতা রাজাকে কথা বন্ধ করে বসার অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি তাদের পাত্তা না দিয়ে বলেন, বসার প্রশ্নই আসে না। সভাকক্ষে এমন চলতে থাকলে বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়। বিশৃংখলার মধ্যে অনেক নেতা উপস্থিত সাংবাদিকদের ছবি এবং ভিডিও ধারণ করা থেকেও নিষেধ করেন।

এসব পরিস্থিতিতে ওবায়দুল কাদের রাজার উদ্দেশ্যে বলেন, একটু আগেই তো ডিসিপ্লিনের কথা বললাম। তার জবাবে রাজা বলেন, আমি ডিসিপ্লিন মানার লোক না। সেটা আপনি ভাল ভাবেই জানেন। আর আজকে এ পর্যায়ে আমাকে পৌঁছাইছেন আপনি। বাংলার বাণীর কথা আপনি স্মরণ করেন।

এরপর ওবায়দুল কাদের রাজার উদ্দেশ্যে বলেন, এখন তুমি কি বলতে চাও? বল? কিন্তু কথা বক্তব্য বা কথা বলা শুরু করার আগে রাজা ওবায়দুল কাদেরের উদ্দেশ্যে বলেন, এখন বলেন, মিডিয়া সরাবেন না।

প্রাক্তন এই ছাত্রলীগ নেতা রাজা ক্ষোভ-অভিমান বা বঞ্চনায় হতাশাগ্রস্থ হয়ে সভাকক্ষে এমন ঘটনা শুরু করলে উপস্থিত অনেক নেতাই বিব্রত ও বিরুপ পরিস্থিতিতে বলেন।

এসব পরিস্থিতিতে রাজার রাগ ও অভিমান প্রশমিত করতে চেয়ার থেকে উঠে আসেন কয়েকজন প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতাও। কিন্তু তারাও ব্যর্থ রাজার অভিমানের কাছে। একসময় চেয়ার থেকে উঠে এসে রাজাকে থামাতে আসেন প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতা হুইপ ইকবালুর রহিম এবং নজরুল ইসলাম বাবু। কিন্তু তারাও দুজনে রাজাকে থামাতে ব্যর্থ হন।

এছাড়াও রাজার রাগ নিবৃত্ত করতে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতাও নির্দেশ দেন। কিন্তু কারও কোন নির্দেশ কর্ণপাত করছিলেন তিনি। একসময় সভা কক্ষে উপস্থিত রাজার সহধর্মিনী সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরাও তাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু উল্টো রাজা তাঁর স্ত্রী মিরাকে ধমক দিয়ে বসিয়ে দেন। মিরা যুব মহিলা লীগের নেত্রী এবং র্বর্তমানে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখানে আমাদের কিছু আভ্যন্তরীণ (ইন্টারনাল) বিষয় আছে। আমাদের অনেকের মধ্যেই ক্ষোভ-হতাশা আছে। এসব অনুভূতি হতেই পারে। আমাদের মধ্যে পারস্পরিক দুঃখ থাকে। কিন্তু তারপরও এই নিয়েই আওয়ামী লীগ। আবার চিরস্থায়ী কিছু না।

কাজেই এবিষয়টা নিয়ে আমি মিডিয়াকে অনুরোধ করব, এটা আপনারা দয়া করে অফ দ্যা রেকর্ড হিসেবে রাখার অনুরোধ করে আনুষ্ঠানিক সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন সভার সভাপতি কাদের।

পরবর্তীতে রাজার ক্ষোভ শোনার জন্য নিজ আসনের পাশে ডেকে নেন সেতু মন্ত্রী। সেখানে রাজা তার ছাত্রলীগ থেকে শুরু করে আজ অবধি বিভিন্ন ঘটনার অনুষঙ্গ টেনে ক্ষোভ এবং হতাশা পুর্নব্যক্তি করছিলেন। রাজাকে নিবৃত্ত করার জন্য আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবাহান গোলাপ কিছু কর্মীকে নির্দেশ দেন। তার নির্দেশনায় জনি নামের ঢাকা কলেজের একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রাজার দিকে তেড়ে যান। তখন রাজাও  জুনিয়র কর্মী জনিকেতাকে মারতে উদ্যত হন।

একসময় রাজা কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় ওবায়দুল কাদের রাজার স্ত্রী রুবিনা আক্তার মিরাকে তার স্বামীর ক্ষোভ এবং হতাশা শুনে তাকে জানানোর নির্দেশ দিয়ে বলেন, তুমি (মিরা) শোন। তার রাগ ক্ষোভ কোথায়। আমি শুনে সবার সাথে পরামর্শ করব। আর যদি আমার নিজের সামর্থ্য থাকে তাহলে নিজেই সমাধান করার চেষ্টা করব।

সভায় সভাপতিত্ব করছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্র্রী ওবায়দুল কাদের। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আহমদ হোসেন, বি.এম মোজাম্মেল হক, অ্যাডভোকেট মৃনাল কান্তি দাস, ইকবালুর রহিম, সুজিত রায় নন্দী, এস. এম কামাল হোসেন, শাহে আলম, শফি আহমেদ, সৈয়দ আবদুল আউয়াল শামীম, সৈয়দা রুবিনা আক্তার মিরা, মাহমুদ হাসান রিপন, মাহফুজুর হায়দার চৌধুরী রোটন, বদিউজ্জামান সোহাগ, সুশান্ত বাইন প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক এবং দফতর উপ-কমিটির সদস্য সচিব আবদুস সোবহান গোলাপ।

Wednesday, 27 April 2016

লোহাগাড়ায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান : ১৩ হাজার টাকা জরিমানা

লোহাগাড়ায় ২৭ এপ্রিল সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ ফিজনূর রহমানের নেতৃত্বে এক ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ৩টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা, ৫০ হাজার টাকার কাঁচামাল ধ্বংস ও ২০ হাজার টাকার মেশিন জব্দ করা হয়।

জানা যায়, উপজেলার আমিরাবাদ পুরান বিওসি এলাকায় সুচিন্ত দাশের মালিকানাধীন বেকারীকে পণ্যের উৎপাদন তারিখ না থাকায় ৩ হাজার, কাঁচা বাজার এলাকায় হেলাল উদ্দিনের মালিকানাধীন পোলাক আইসক্রীম ফ্যাক্টরীকে ৫ হাজার ও দয়ার পাড়া এলাকায় টিউবওয়েলের পানির সাথে চিনি মিশিয়ে রং দিয়ে নানাবিধ দই ও জুস তৈরী করার অপরাধে আবু তাহেরকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় আবু তাহেরের ভেজাল দুই ও জুস তৈরীর কাঁচামাল ধ্বংস ও মেশিন জব্দ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভোক্তা অধিকার আইনে এই তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে।

courtesy: Lohagaranews24

২৮ এপ্রিল আওয়ামীলীগ মনোনীত লোহাগাড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা হচ্ছে না


লোহাগাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নৌকা পেতে মরিয়া হয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন। ২৬ এপ্রিল তাদের নাম ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত ছিল। পরবর্তীতে ২৮ এপ্রিল নাম ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত ছিল। অনিবার্য কারণে তা হচ্ছে না। তবে আগামী ২ মে নাম ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

লোহাগাড়ার ৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইউনিয়নগুলো হল যথাক্রমে বড়হাতিয়া, চুনতি, পুটিবিলা, কলাউজান, চরম্বা ও পদুয়া। এসব ইউনিয়নে মোট ৪২ জন প্রার্থী নৌকার জন্য আবেদন করেছেন। তবে বিভিন্ন প্রেক্ষিত বিবেচনা করে প্রাথমিকভাবে ইউনিয়ন, উপজেলা ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ সম্ভাব্য কয়েকজনের নাম কেন্দ্রে প্রেরণ করেছে বলে জানা গেছে। জানা যায়, আগামী ৪ জুন সর্বশেষ ধাপে লোহাগাড়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
©Lohagaranews24

Sunday, 24 April 2016

বিএনপি মনোনীত লোহাগাড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষনা

 আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত লোহাগাড়ার চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী মুঠোফোনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

যাঁরা মনোনয়ন পেয়েছেন তারা হলেন বড়হাতিয়ায় নুরুল ইসলাম, চুনতিতে নূর মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ, পদুয়ায় আবু সাঈদ চৌধুরী টিটু, পুটিবিলায় মোঃ দেলোয়ার, কলাউজানে মোঃ আবুল কাশেম ও চরম্বায় মোঃ শাহ আলম।

আগামী ৪ জুন লোহাগাড়ায় ৯ ইউনিয়নের মধ্যে ৬ ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। বাকী ৩ ইউনিয়ন লোহাগাড়া সদর, আমিরাবাদ ও আধুনগরে সম্প্রতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


©lgnews24

সড়ক দূর্ঘটনায় আহত এসআই মোস্তফা আর নেই

এলনিউজ২৪ডটকম : লোহাগাড়া থানার এসআই মোস্তফা কামাল ২৪ এপ্রিল রাত পৌনে ৯টায় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নানিল্লাহে…..রাজেউন)। লোহাগাড়া থানার এসআই মুহাম্মদ সোলাইমান পাটোয়ারী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো জানিয়েছেন, নিহত মোস্তফা কামালের বাড়ি চাঁন্দপুর জেলার শাহ্রাস্তি উপজেলায়। রাজারবাঘ পুলিশ লাইনে মরহুমের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাঁর নিজ বাড়িতে নামাজে জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ৬ এপ্রিল উপজেলার ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতালের সামনে মহাসড়কে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় গুরতর আহত হয়েছে।

লোহাগাড়া থানার এসআই মোস্তফা কামালের মৃত্যুতের অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহজাহান পিপিএম (বার) সহ থানায় কর্মরত সকলে শোক প্রকাশ করেছেন। তারা শোক সন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।

sources: lgmews24

লোহাগাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষনা ২৮ এপ্রিল

লোহাগাড়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা নৌকা পেতে মরিয়া হয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন। ২৬ এপ্রিল তাদের নাম ঘোষণার তারিখ নির্ধারিত ছিল। অনিবার্য কারণে তা হচ্ছে না। তবে আগামী ২৮ এপ্রিল নাম ঘোষণার সম্ভাবনা রয়েছে বলে লোহাগাড়া থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সালাহ উদ্দিন হিরু ঢাকা থেকে জানিয়েছেন।

জানা যায়, এবারের নির্বাচনে ৯ ইউনিয়নের মধ্যে আমিরাবাদ, লোহাগাড় সদর ও আধুনগর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না। ইতোপূর্বে এসব ইউনিয়নে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় নির্বাচন না হওয়ার অন্যতম কারণ। তবে বড়হাতিয়া, চুনতি, পুটিবিলা, কলাউজান, চরম্বা ও পদুয়া ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কে কে মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিশ্চিত করে এ মুহুর্তে বলা মুশকিল বলে সালাহ উদ্দিন হিরু আরো জানিয়েছেন। জানা যায়, আগামী ৪ জুন সর্বশেষ ধাপে লোহাগাড়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

©lohagara news24

Saturday, 23 April 2016

একটি বার হলেও পড়ুন - ভূমিকম্প হলে করণীয়:

১। ভূমিকম্পের সময় অনেকে টেবিল, চেয়ার, বিছানা ইত্যাদির নীচে আশ্রয় নেন- যা অবশ্যই পরিহার করা উচিত। কিন্ত কিছুদিন আগেও এটা ভূমিকম্পের সময় বহুল প্রচলিত একটি পদ্ধতি ছিল, যা ‘Duck and Cover’ পদ্ধতি নামে পরিচিত। পৃথিবীর বড় বড় ভূমিকম্পে উদ্ধারকর্মী হিসেবে যারা কাজ করেছেন তারা বলছেন- ভূমিকম্পের সময় ‘Duck and Cover’ পদ্ধতি যারা অনুসরণ করেছে, তাদের বেশিরভাগকেই তারা নিহত অবস্থায় পেয়েছে। ডাগ কপ নামক একজন অভিজ্ঞ উদ্ধারকর্মী ১৯৮৫ সালে মেক্সিকো সিটির ভূমিকম্পে উদ্ধার কাজে অংশ নেন।

প্রথম যে দালানটিতে তিনি ঢোকেন, সেটি ছিল একটি স্কুল। ভূমিকম্পের সময় স্কুলের বাচ্চাদের বলা হয়েছিল Desk-এর নীচে আশ্রয় নেবার জন্য। তারা প্রতিটি শিশুকেই Desk -এর নীচে গুঁড়িয়ে যাওয়া অবস্থায় পান। এক্ষেত্রে ভূমিকম্পের সময় যেটা হয়- দালান ভেঙ্গে পড়ার সময় Ceiling -এর সম্পূর্ণ ভার এসব Object-এর ওপর পড়ে, তাতে এর নীচে আশ্রয়গ্রহণকারীর বেঁচে থাকার কোন উপায় থাকে না। তাই, ভূমিকম্পের সময় Desk, টেবিল ইত্যাদি কোন কিছুর নীচে ঢুকে আশ্রয় নেয়া ঠিক না।

২। উদ্ধার কর্মীরা আরো লক্ষ্য করেছেন- দালান ভেঙ্গে পড়ার সময় Ceiling যখন কোন Object -এর ওপর পড়ে একে গুঁড়িয়ে দেয়, ঠিক তার পাশেই ছোট্ট একটি খালি জায়গা বা Void -এর সৃষ্টি হয়। একে তারা বলছেন ‘Safety Zone ’ বা ‘Triangle Of Life ’। তাই ভূমিকম্পের সময় বড় কোন আসবাব বা বড় কোন Object যেটা কম Compress করবে- এরকম কিছুর পাশে আশ্রয় নিলে বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ছোট্ট একটু Void-ই যথেষ্ট। বিপন্ন অবস্থায় কুকুর, বিড়াল এবং শিশুদের একটা সহজাত প্রবৃত্তি হল কুন্ডলি করে গুটিশুটি হয়ে যাওয়া। ভূমিকম্পের সময় মানুষেরও এটা অনুসরণ করা উচিত। তাহলে বিভিন্ন অবজেক্টের পাশে গুটিশুটি করে আশ্রয় নিলে এগুলো ভূমিকম্পের সময় যে ছোট
Void-এর সৃষ্টি করবে তাতে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকবে।

৩। রাতের বেলা ঘুমানোর সময় ভুমিকম্প হলে কোন হুড়াহুড়ি করার দরকার নেই। গড়িয়ে মেঝেতে কুন্ডলি পাকিয়ে শুয়ে পড়ুন বিছানাকে ঢাল বানিয়ে। তার মানে আবার বিছানার নীচে যেন ঢুকবেন না, বিছানার পাশে আশ্রয় নিন। তেমনি ভূমিকম্পের সময় জানালা বা বারান্দা দিয়ে লাফ দেয়া এসবও করবেন না। সোজা কোন সোফা বা ২নং Point -এ যেভাবে বলেছি সেভাবে ঘরের মধ্যেই কোন Object -এর পাশে আশ্রয় নিন।

৪। অনেককে বলতে শুনেছি ভূমিকম্পের সময় দরজার নিচে আশ্রয় নিলে নাকি বাঁচার সম্ভাবনা বেশি থাকে! দরজার নিচে বা পাশে থাকলে নির্ঘাত মারা পড়বেন। যদি দরজার নিচে থাকেন তবে Ceiling -এর নিচে চাপা পড়ে মারা পড়বেন আর যদি পাশে থাকেন দরজা আপনাকে দু’ভাগ করে কেটে ভেঙ্গে পড়বে।

৫। ভূমিকম্পের সময় কখনই সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। সিঁড়ির ‘Moment Of Frequency’ দালানের চাইতে ভিন্ন হয় এবং অনেক সময় দালান ভেঙ্গে না পড়লেও সিঁড়ি দ্রুত ভেঙ্গে পড়ে।

৬। চেষ্টা করুন বাসার একেবারে ভিতরের দিকের রুমে না থেকে বাইরের দেয়ালের কাছাকাছি আশ্রয় নিতে। দালানের ভেতরের দিকে থাকলে সবকিছু ভেঙ্গে পড়ার পর আপনার ‘ Escape Route’ বা ‘উদ্ধার পাবার রাস্তা’ Block হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। বাইরের দেয়ালের কাছাকাছি থাকলে Block কম থাকবে, তাড়াতাড়ি উদ্ধার পাবার সম্ভাবনাও বেশি থাকবে।

৭। ভূমিকম্পের সময় যদি গাড়িতে থাকেন, তাড়াতাড়ি গাড়ি থেকে নেমে গাড়ির পাশে বসে বা শুয়ে পড়ুন। গাড়ির ভেতরে থাকলে রাস্তার ওপরের বিভিন্ন Object গাড়ির ওপর পড়ে গাড়িকে চূর্ণ করার ফলে মারা যাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

৮। যারা পত্রিকা অফিসে কাজ করেন তাদের জন্য সুসংবাদ। উদ্ধারকর্মী যাদের পত্রিকা অফিসে উদ্ধার কাজের অভিজ্ঞতা আছে, তারা বলেছেন- পত্রিকা অফিস বা যেসব অফিসে বড় বড় কাগজের স্তুপ আছে, সেগুলো কখনো Compact করে না। কাজেই এসব কাগজের স্তুপের পাশে তারা বড় বড় Void খুঁজে পেয়েছেন। যারা এসব অফিসে কাজ করেন, তারা নিশ্চিন্তে কাগজের স্তুপের পাশে আশ্রয় নিন।

৯। সব বড় ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যেটাকে ‘After Shock’ বলে। এটার জন্যও সতর্ক থাকুন, না হলে পচা শামুকেই শেষমেষ পা কাটতে হতে পারে।

১০। প্রথম ভূমিকম্পের পর Utility Line - গুলো (গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি) একনজর দেখে নিন। কোথাও কোন Damage দেখল main switch বন্ধ করে দিন।

Thursday, 21 April 2016

বাংলা শিখবেন ডেভিড ওয়ার্নার,,

বাংলাদেশের পেস সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমানের জন্য বাংলা শিখছেন হায়দরাবাদ সানরাইজার্সের অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার।
বৃহস্পতিবার এক টুইটে ওয়ার্নার নিজেই জানিয়েছেন একথা।
টুইটে অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে এই ব্যাটসম্যান লিখেছেন, 'মুস্তাফিজের জন্য আমি গুগলের অনুবাদ সেবা ব্যবহার করছিলাম। কীভাবে বাংলা শেখা যায় তা নিয়ে কাজ করছি, হে হে। থোরা থোরা।'
প্রথমবারের মতো এবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) খেলছেন মুস্তাফিজ। আইপিএলে মুস্তাফিজ হায়দরাবাদ সানরাইজার্সের সদস্য।
টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত হায়দরাবাদ সানরাইজার্সের খেলা তিনটি ম্যাচেই প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েছেন মুস্তাফিজ। এর মধ্যে প্রথম দুই ম্যাচে দল হারলেও তিন ম্যাচেই মুস্তাফিজের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন ক্রিকেট বোদ্ধারা।
তবে বাংলা ছাড়া ইংরেজি বা হিন্দিতে দখল না থাকায় সেখানে নাকি মুস্তাফিজকে নিয়ে বেশ সমস্যা হচ্ছে। দলের পরিকল্পনা তাকে বোঝাতে গিয়ে নাকি রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে হায়দরাবাদ টিম ম্যানেজমেন্টকে।
সম্ভবত সে কারণে কিনা, এবার নিজেই উদ্যোগী হয়ে বাংলা শেখা শুরু করেছেন সানরাইজার্স অধিনায়ক ওয়ার্নার!