Thursday, 28 July 2016

Dhaka Central Jail relocation completes Saturday

As the final part of relocating the Dhaka Central Jail outside the capital, some 6,000 prisoners will be shifted to newly built central jail in Keraniganj on the outskirts of the capital on Friday.
The jail authorities will begin shifting the prisoners at 6:00 am on Friday and it will continue till Saturday evening, according to a UNB report.

Sources at the Dhaka Central Jail said only mature male prisoners will be shifted to the new jail while VIP and female prisoners, militants, top terrors and convicted war criminals have already been sent to Kashimpur Central Jail in Gazipur on security grounds.
Inspector General (IG) of Prisons Brig Gen Syed Iftekhar Hossain himself will monitor the transfer process of prisoners, the largest-ever in Bangladesh’s history at a time.
Earlier on April 10, Prime Minister Sheikh Hasina formally inaugurated the new Dhaka Central Jail at Keraniganj. Though the prisoners were scheduled to be shifted to the new central jail by April, it had not been possible for various reasons, including security ground.
A jail officer said enough officials and jail guards were sent to the new central jail on Thursday. Trained cooks were also sent to the new jail so that prisoners can take their meal from Friday noon, he said requesting anonymity.
Around 20 prison vans have already been brought from other jails surrounding Dhaka for smooth shifting of the prisoners. All-out security measures have been taken deploying police, Rab and other law enforcement and intelligence agencies in different strategic points on roads leading to the new central jail from old one.
The new central jail is being built on 194.41 acres of land and the estimated cost rose to Tk 406 crore from its original project cost of Tk 337.08.
Of the 4,000 accommodation capacity in the new central jail, 100 seats will be for male adolescents, 30 for mentally-challenged male prisoners, 200 for woman inmates, 40 for female adolescent prisoners, 20 for female mentally-challenged prisoners.
Besides, 60 classified wards and 400 cells are also being constructed for dangerous prisoners.
A 200-bed hospital and a daycare centre have also been set up on the new premises at Rajendrapur under South Keraniganj, adjacent to Dhaka-Mawa Highway.

১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ৭নং সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক শুধু লোহাগাড়ার ননসমগ্র জাতির গৌরব ও অহংকার : ড. হারুন-অর-রশীদ


১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ৭নং সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক শুধু লোহাগাড়ার নন বরং সমগ্র জাতির গৌরব ও অহংকার। দীর্ঘদিন পরে হলেও লোহাগাড়ায় বার আউলিয়া কলেজে উক্ত সেক্টর কমান্ডারের নামে একটি ভবন নামকরণ হওয়ায় তিনি খুবই আনন্দিত। শিক্ষাঙ্গনে এ স্মৃতি এক যুগান্তকারী মাইলফলক। বর্তমান প্রজন্মরা এ ভবনের নামের দিকে তাকিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উজ্জীবিত করে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। বার আউলিয়া কলেজের এ বিরল পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধান অতিথি এবং আগামীতে এ কলেজের অগ্রযাত্রা আরো গতিশীল করে বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করার জন্য কলেজ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি আন্তরিক থাকার আহবান জানান। ২৮ জুলাই বেলা ১২টায় কলেজ চত্বরে নবনির্মিত শহীদ মেজর নাজমুল হক ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও বৃক্ষচারা রোপনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশীদ উপরোক্ত মন্তব্য করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ ড. মোঃ রেজাউল কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ফিজনূর রহমান। অধ্যাপক স্বপন কান্তি চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ ফয়েজ উল্লাহ চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মোঃ জামাল উদ্দিন, সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক স্মৃতি সংসদ লোহাগাড়ার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম. এম. আহমদ মনির। পবিত্র কোরআন, গীতা ও ত্রিপটক পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয় ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবন উৎসর্গ করেছেন এ দেশের মুক্তি ও স্বাধীনতার জন্য। তাঁরই আহবানে মুক্তিযুদ্ধ সংঘঠিত হয় এবং বীর বাঙালীর নন্দিত সন্তানেরা অস্ত্র হাতে মাতৃভূমির মুক্তির জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। যুদ্ধে অগণিত মানুষ শহীদ হন এবং নির্যাতিত হন অসংখ্য নর-নারী। বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশ ও জাতির অম্লান স্মৃতি। এহেন স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে গিয়ে বার আউলিয়া কলেজে সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক নামে ভবন নির্মিত হওয়ায় তিনি উক্ত কলেজের উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি কলেজের ভৌগোলিক অবস্থান, পরিবেশ ও বিভিন্ন উদ্যোগ দেখে কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, আগামীতে এ কলেজের আরো উজ্জ্বল ভবিষ্যত রচনা করতে অকুন্ঠচিত্তে সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দেন। একই সময় তিনি চলমান সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সোনার বাংলা গঠনে শিক্ষার্থীসহ সকলের ঐক্যমতভিত্তিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। সুন্দর পরিবেশ গঠন করতে পারলে বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন সোনার বাংলায় সোনা ফলনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, সমাবেশ পূর্বে মহান অতিথিকে স্কাউট ও শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে সড়কের দু’পার্শ্বে দাঁড়িয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠান স্থলে নিয়ে আসেন এবং ওই সময় মহান অতিথি কলেজ চত্বরে একটি বৃক্ষচারা রোপন করেন। পরবর্তীতে ভবনের ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ভবন উদ্বোধন করেন।

Tuesday, 26 July 2016

কল্যাণপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান, নিহত ৯

রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন পাঁচ নম্বর সড়কের জাহাজ বিল্ডিং নামের একটি বাসায় ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ বলছে, এতে নয়জন ‘জঙ্গি’ নিহত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৫১ মিনিট থেকে ৭টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত এ অভিযান চলে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সকাল আটটার দিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহীদুল হক বলেন, নিহত ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। ওই বাড়ি থেকে গুলশানের মতো বড় হামলার পরিকল্পনার তথ্য পুলিশের কাছে আগে থেকেই ছিল।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসানের ভাষ্য, এক ঘণ্টা ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘অপারেশন স্টর্ম ২৬’ নামের এই অভিযান চালায়। পুলিশের সঙ্গে স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস (সোয়াট), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল অভিযানে অংশ নেয়।
পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলা অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পুলিশ জাহাজ বিল্ডিং নামের ওই ছয়তলা বাড়িতে যায়। তিনতলা পর্যন্ত ওঠার পর ওপর থেকে দুজন ‘আল্লাহু আকবর’ বলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ও বিস্ফোরকদ্রব্য ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে হাসান নামের একজন গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশের দাবি, হাসান একজন ‘জঙ্গি’। তাঁকে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রথম দফায় রাত দেড়টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে ‘জঙ্গিদের’ গুলিবিনিময় চলে। খবর পেয়ে সোয়াট, র্যাব ও ডিবি ঘটনাস্থলে যায়। এরপরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে আরেক দফা গুলিবিনিময় চলে। ভোর ৫টা ৫০ মিনিট থেকে পুলিশ অভিযান শুরু করে। পুলিশ জানায়, একপর্যায়ে ‘জঙ্গিরা’ দরজা খুলে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গুলিবিনিময়ে নয়জন নিহত হয়।
সকাল আটটার দিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহীদুল হক ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান, একজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিরা নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়াও ঘটনাস্থলে গেছেন।
অভিযানের সময় পুলিশ ওই এলাকা ঘিরে ফেলে। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই বাসায় পুলিশের তল্লাশি চলছে।

9 ‘militants’ killed in police drive

At least nine suspected militants were killed as the police raided an alleged hideout of the 'militants' near Kalyanpur bus stand in Dhaka city on Tuesday morning.
An operation called ‘operation storm 26’ was carried out at the Jahaj (ship) building in Kalyanpur area around 5:45am, according to additional commissioner Maruf Hasan of Dhaka Metropolitan Police (DMP).
The hour-long operation left nine 'militants' killed.
A few members of the police were said to have been injured.
Special Weapons and Tactics (SWAT) forces also took part in the operation.
A bomb disposal team arrived at the spot by the time this report is filed.

চবিতে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ তরুণ-তরুণী আটক


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ বহিরাগত তরুণ-তরুণী আটক করেছে প্রশাসন। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ভেতরে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত তরুণীর (১৮) বাড়ি ফতেয়াবাদে। তিনি নগরীর কুলগাও সিটি করপোরেশন মহিলা কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী। আর আটক তরুণ (২৮) সরকারি সিটি কলেজের এমবিএ শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছেন পুলিশের এসআই নুরুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেতরে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় তাদের দুজনকে আটক করা হয়। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী নন। পরে প্রক্টর স্যারের কাছে নিয়ে গেলে তিনি তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিতে বলেন।’
এ বিষয়ে প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ‘তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর এ ধরনের কাজ করতে আসবে না বলে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বহিরাগতরা এখানে এসে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানহানি করবে তা আমরা চাই না।’

Friday, 22 July 2016

লোহাগাড়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩,আহত প্রায় অর্ধশতাধিক

লোহাগাড়া উপজেলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩জন নিহত ও আনুমানিক অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে।২২জুলাই সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টায় চুনতি ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকার খাঁনদিঘীর পাড় সংলগ্ন আরকান সড়কে যাত্রীবাহী দুটো বাসের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় নিহত ৩জনের মধ্যে নুরুল আমিন (৩৫),তার বাড়ী চকরিয়ায় এবং অপরজনের নাম মোহাম্মদ ইছহাক(৫৫)। তবে,নিহত ৩জনের মধ্যে ছোট্ট শিশুটির পরিচায় পাওয়া যায়নি।দুর্ঘটনার পর পরই চুনতি ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন জনু কোম্পানী দ্রুত ঘটনাস্হলে পৌঁছে স্হানীয় লোকজনের সহায়তায় আহতদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।সে কারণে আহতদের সকলের নাম ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি।আহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন যথাক্রমে মনজু আলম(৪৫), তিনি চকরিয়ার বদরখাঁলী এলাকার গোলাম রহমানের পুত্র।রামু গর্জনিয়া এলাকার মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী খদিজা বেগম(৫৫), মহেশখালি এলাকার মাসুকের স্ত্রী রীনা আক্তার(২৮), মহেশখালি এলাকার বিমল বড়ুয়ার স্ত্রী জুরানী বড়ুয়া,চকরিয়ার নতুন রাস্তার মাথা এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র মোহাম্মদ ইয়াছিন(৪০), মহেশখালি চিনি পাড়া এলাকার মোহাম্মদ ইলিয়াছের পুত্র হুমায়ুন কবির(৩০), মহেশখালি মাদার বাড়ী এলাকার বদর উদ্দিনের স্ত্রী মোহছেনা বেগম (৪৫), চকরিয়া বানিয়ার ছড়া এলাকার আমিরের স্ত্রী নুরুন্নাহার(৩০),গর্জনিয়া এলাকার নুর আহমদের পুত্র মোহাম্মদ হোসেন(৪৫), অপর মহিলার বয়স আনুমানিক ২৫ বছর এবং ২বছরের এক শিশু সন্তানের পরিচয় পাওয়া যায়নি।আহতদের মধ্যে মনজুর আলম,ইয়াছিন ও নুরুন্নাহার বেগম ছাড়া বাদবাকীদেরকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডিউটি অফিসার প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।ঘটনার প্রত্যক্ষ দর্শী সুত্রে জানা যায়,উল্লেখিত সময়ে শাহ আমিন সার্ভিসের চট্রগ্রাম অভিমুখী চট্টমেট্টো-জ-১১-০৮৭২ বেপরোয়া গতিতে আসছিল।একই সময়ে বিপরীত দিক অর্থাৎ কক্সবাজার অভিমুখী অপর একটি যাত্রীবাহী বাস চট্টমেট্টো-জ-০৫-০২৩০ ঘটনাস্হলে পৌঁছলে উভয় গাড়ির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।এতে দুমুড়ে-মুচড়ে গিয়ে কক্সবাজার অভিমুখী যাত্রীবাহী বাসটি সড়কের এক পাশ কাৎ হয়ে উল্টে যায়।এবং অপর বাসটি সড়কের উপর দাঁড়িয়ে থাকলেও তার একটি সাইড মারাত্নকভাবে ক্ষতিগ্রস্হ হয়।ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্হলে পৌঁছে আহত ও নিহতদের খোঁজ খবর নিতে জোর তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে।পরবর্তীতে দোহাজারী হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্হল থেকে গাড়ি ২টি তাদের হেফাজতে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

Monday, 18 July 2016

এমপির মেয়েকে উত্ত্যক্ত, ছাত্রলীগ নেতার সাজা

সাতক্ষীরায় সংসদ সদস্য (এমপি) ও জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি মুস্তফা লুৎফুল্লাহর মেয়েকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের এক ছাত্রলীগ নেতাকে তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রবিবার সাতক্ষীরা নির্বাহী হাকিম মনিরা পারভীন এ রায় দেন।
কারাদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আশিকুর রহমান ছাত্রলীগ সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের ইয়ার কমিটির সভাপতি। তিনি ওই কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। প্রতিবছর ‘ইয়ার কমিটি’ নামে কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি গঠিত হয়।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদ শেখ জানান, সংসদ সদস্য মুস্তফা লুৎফুল্লাহর মেয়ে সাতক্ষীরা সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। একই কলেজে দ্বিতীয় বর্ষে লেখাপড়া করেন ছাত্রলীগ নেতা আশিকুর রহমান। আশিকুর প্রায়ই ওই ছাত্রীকে কলেজে যাতায়াতের পথে উত্ত্যক্ত করেন। আজও তিনি ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করেন।
ওসি এমদাদ আরো জানান, এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ আশিকুরকে হাতেনাতে আটক করে সরাসরি নির্বাহী হাকিম সহকারী কমিশনার (ভূমি) মনিরা পারভিনের আদালতে নিয়ে যায়। আদালত শুনানি শেষে আশিকুরকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন। এর পরই তাকে জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

Saturday, 16 July 2016

Brazil to boost Olympics security after Nice attack


Brazil said Friday it will bolster security for next month’s Olympics in Rio following the truck attack in the French city of Nice.
Brazil’s interim president Michel Temer held an emergency meeting with his intelligence chief and members of his cabinet late Friday to weigh the next steps after the Nice attack, which killed at least 84 people.
As he left the meeting, intelligence chief Sergio Etchegoyen said new security measures would include extra checkpoints, barricades and traffic restrictions.
Brazil had already planned to deploy 85,000 police and soldiers to provide security for the Olympics—running August 5-21 -- double the number used in the 2012 London Games.
Heightened fears, heightened security
Etchegoyen said fears over security at the Rio Games had “gone up a notch” after the attack in Nice, where a Tunisian-born man drove a 19-tonne white truck into a huge crowd gathered to watch the annual Bastille Day fireworks display on Thursday, leaving a gruesome trail of bodies in his wake.
“We’re trading a little comfort for a lot more security,” he told a press conference at the presidential offices.
Brazilian intelligence officials met with French counterparts for a briefing on the Nice attack, he said.
Defense Minister Raul Jungmann expressed “worries” over the Nice attack.
“This worry will translate to more checkpoints, security, staff and procedures being put in place,” he told reporters at an air force base near the Rio international airport.
Jungmann said Brazil is corresponding with all 106 countries sending representatives to the event’s international intelligence center.
“As of now, none of these countries have informed us of a potential or concrete threat of a terrorist attack in Brazil,” Jungmann said.
Brazil is already on alert after the French military intelligence chief said France had been informed of a planned terror attack on its team at the Rio Olympics.
In June, Brazil’s intelligence service said it had detected Portuguese-language messages linked to the Islamic State group on an online forum.
An even more explicit warning came after bloody attacks in Paris in November, when a French jihadist tweeted that Brazil was the “next target.”
Jungmann said officials will supervise the Olympic delegations based on the security threat they face, with countries including the United States and France labeled as high-risk.
“The dozen or so countries in that group will have special accompaniment,” Jungmann said.
Simulation exercises
Security services staged simulation exercises in Rio to test counterterrorism response plans.
Another exercise on “confronting external threats” is planned for Saturday at the railway station in Deodoro, one of four Olympic zones in Rio along with Maracana, Copacabana and Barra da Tijuca.
Rio Mayor Eduardo Paes and Olympic organizing committee president Carlos Nuzman met with federal and regional government officials to assess plans, notably discussing a potential increase in street blockades.

60 killed, 754 people arrested in Turkey coup attempt


A Turkish army faction backed by tanks and fighter jets was waging a coup attempt against President Recep Tayyip Erdogan on Saturday, but the strongman returned to Istanbul defiantly claiming to have regained control.
Soldiers and tanks took to the streets late on Friday and multiple explosions rang out throughout the night in Ankara and Istanbul, the two biggest cities of the strategic NATO country of 80 million people.
With officials insisting the takeover bid was falling apart, officials said 60 people have been killed and 754 detained in a night of violence in Turkey’s major cities.
Dozens of soldiers backing the coup surrendered on the Bosphorus bridge in Istanbul that they had held throughout the night, holding their hands above their heads as they were detained, television pictures showed.
Erdogan predicted that the putsch would fail and crowds of supporters of the ruling Justice and Development Party (AKP) came out onto the streets to try to block it.
After hours of chaos unseen in decades, the president ended uncertainty over his whereabouts, flying into Istanbul airport in the early hours where he made a defiant speech and was greeted by hundreds of supporters.
Erdogan denounced the coup attempt as “treachery” but said he was carrying out his functions and would keep on working “to the end”.
“What is being perpetrated is a treason and a rebellion. They will pay a heavy price for this act of treason,” Erdogan said at the airport. “We will not leave our country to occupiers.”
Parliament bombed
The sound of F16 fighter jets flying over the capital Ankara signalled the start of the putsch late Friday, with troops also moving to block the bridges across the Bosphorus Strait in Istanbul.
As protesters took to the streets, an AFP photographer saw troops open fire on people gathered near one of the bridges, leaving tens wounded.
Soldiers also opened shot at protesters angrily denouncing the coup bid at Istanbul’s famous Taksim Square, injuring several.
Turkish army F-16s launched air strikes against tanks stationed by coup backers outside the presidential palace in Ankara, while the parliament was also bombed.
Regular explosions could be heard from the AFP office situated near the complex.
World leaders called for calm, with US President Barack Obama and other Western countries urging support for the government which they said had been elected in democratic elections.
The night of drama and bloodshed brings new instability to the Middle East region, with Turkey a key powerbroker in the ongoing Syria conflict.
With uncertainty over the fate of Turkey’s top general Hulusi Akar-reportedly taken hostage-General Umit Dundar, commander of the First Army, has been appointed as acting chief of staff, Prime Minister Binali Yildirim said.
Coup bid ‘to restore order’
After the initial dramatic military movements, state broadcaster TRT said the troops behind the putsch had declared martial law and a curfew, in a statement signed by a group calling itself the “Council for Peace in the Homeland”.
“The power in the country has been seized in its entirety,” the statement said.
It said the coup had been launched “to ensure and restore constitutional order, democracy, human rights and freedoms and let the supremacy of the law in the country prevail, to restore order which was disrupted”.
No named military officer claimed responsibility for the actions although Yildirim claimed a key pro-coup general had been killed.
Turkey’s once-powerful military has long considered itself the guardian of the secular state founded by Mustafa Kemal Ataturk in 1923.
It has staged three coups since 1960 and forced out an Islamic government in 1997.
Erdogan’s critics have long accused him of undermining modern Turkey’s secular roots and of sliding into authoritarianism-but the president was believed to have won control of the military after purging elements who opposed him.
Military out!
The Turkish strongman urged people to rally in his support, prompting hundreds of supporters to gather in Turkey’s three main cities of Ankara, Istanbul and Izmir, AFP correspondents said.
There was chaos in Istanbul as angry crowds took to the streets to boo the passing tanks, with smaller numbers welcoming the troops.
As a helicopter flew over the famed Taksim Square, scene of massive anti-Erdogan protests three years ago, the crowd began to boo, shaking their fists at the night sky before they were shot at by the soldiers.
“The people are afraid of a military government,” a 38-year-old man who gave his name as Dogan told AFP. “Most of them have been in military service, they know what a military government would mean.”
But some Turks were welcoming news of the coup attempt.
“Turks are on fire,” Fethi, a 27-year-old tour guide in Taksim Square, told AFP.
“We have hope now,” he added. “Turkey has been in a very polarised state for almost 15 years now... This is the manifestation of all that anger.”
Global concern
Erdogan immediately pinned the blame on “the parallel state” and “Pennsylvania”-a reference to Pennsylvania-based cleric Fethullah Gulen, his arch-enemy who he has always accused of seeking to overthrow him.
But the president’s former ally denied any involvement in the plot, calling the accusation “insulting”.
“As someone who suffered under multiple military coups during the past five decades, it is especially insulting to be accused of having any link to such an attempt. I categorically deny such accusations,” he said in a statement.
Turkish airlines said flights to Istanbul’s main international airport had resumed after a night-long shutdown. The Bosphorus bridges remained closed.
There has been a flood of concerned reactions from around the globe, with EU foreign policy chief Federica Mogherini calling for “restraint and respect for democratic institutions”.
Obama has been briefed, while the Kremlin said it was “deeply concerned” by the developments.
“Everything must be done to protect human lives,” said a spokesman for German Chancellor Angela Merkel.

দেশে পেপল সেবা ‘অগাস্ট থেকে’

অনলাইন আউটসোর্সিং খাতের জনপ্রিয় অনলাইন মার্চেন্ট পেইপ্যাল বাংলাদেশে তাদের সেবা চালু করতে রাষ্ট্রায়াত্ত সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তিতে আসছে। খবর বিডিনিউজ
এর ফলে অগাস্ট থেকেই বাংলাদেশে বহুপ্রতীক্ষিত এই সেবা শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সোনালী ব্যাংকের একজন ঊর্ধবতন কর্মকর্তা।
পেইপ্যাল একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থের স্থানান্তর বা হাতবদল করতে সহায়তা দিয়ে থাকে। অননলাইনে অর্থ স্থানান্তরের এই পদ্ধতি চেক বা মানি অর্ডারের মত গতানুগতিক অর্থ লেনদেন পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
সোনালী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক দিদার মো. আবদুর রব শুক্রবার বলেন, “দীর্ঘ আলোচনার পর আমরা সফল হয়েছি, পেইপ্যালের সঙ্গে চুক্তির জন্য আমরা ব্যাংক থেকে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার প্রস্তাব পেইপ্যালের কাছে পাঠিয়েছিলাম।
“আমরা যতটুকু জেনেছি, পেইপ্যাল এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। এমওইউতে তাদের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। আমারা আশা করি আগামী মাস থেকে এ সেবা বাংলাদেশে শুরু করা যাবে।”
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে ও সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে পেইপ্যাল কার্যক্রম শুরুর চেষ্টায় আমরা অনেকদূর এগিয়েছি। আশা করি, ফ্রিল্যান্সারসহ দেশবাসীকে অল্প কিছুদিনের মধ্যে একটি সুখবর দিতে পারব।”
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সফরে পেইপ্যালের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল প্রতিমন্ত্রী পলকের। সে সময় প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, তাদের তালিকায় বাংলাদেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে কৌশলগত দিক নিয়ে কথা হয়েছে।
সে সময় বাংলাদেশে ব্যবসার সুযোগ, নীতিমালা, অবকাঠামো সুবিধা ও ফ্রিল্যান্সারদের কাজকর্ম নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী।
একটি পেইপ্যাল একাউন্ট খোলার জন্য কোনো ব্যাংক একাউন্টের ইলেকট্রনিক ডেবিট কার্ড অথবা ক্রেডিট কার্ডের প্রয়োজন পড়ে। পেইপ্যালের মাধ্যমে লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রহীতা পেইপ্যাল কর্তৃপক্ষের কাছে চেকের জন্য আবেদন করতে পারে, অথবা নিজের পেইপ্যাল একাউন্টের মাধ্যমে খরচ করতে পারে অথবা পেইপ্যাল একাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা করতে পারে।
২০১১ সালে থেকে বাংলাদেশ পেইপ্যাল এর সেবা শুরুর বিষয়ে আলোচনা চলছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কয়েকটি অনুষ্ঠানে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনে পেইপ্যাল চালুর আশ্বাসও দিয়েছিলেন।

Friday, 8 July 2016

বেঁচে যাওয়া জিম্মি শোনালেন ৭ জাপানি হত্যার বিবরণ

গুলশান হামলায় জিম্মি জাপানি নাগরিকদের সেদিন হামলা শুরুর অল্প সময়ের মধ্যেই হত্যা করা হয়েছিল। রেস্টুরেন্টটিতে চাকরি করা একজন বাংলাদেশি ওইদিন প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলেন। খুব কাছে থেকে তিনি দেখেছিলেন ৭ জাপানি নাগরিকের মৃত্যু। ঘটনার সাক্ষী হয়ে থাকা ব্যক্তিটি জাপানের গণমাধ্যম দ্য জাপান টাইমস-এ একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে সেদিনের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ দেন। এখানে সাক্ষাৎকারের অংশটুকু দেয়া হলো-

রেস্টুরেন্টটিতে সেদিন ২০বিদেশি অতিথির মধ্যে ৭জাপানি নাগরিক ছিলেন, যাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে হামলাকারীরা।

সাক্ষাৎকারে ওই বাংলাদেশি জানান, ঘটনার দিন যখন বুঝতে পারলেন রেস্টুরেন্টটিতে হামলাকারীরা প্রবেশ করেছে ওইদিন তিনি প্রাণ বাঁচাতে রেস্টুরেন্টটির শীতল কক্ষে আশ্রয় নেন। তার সাথে একজন জাপানি নাগরিকও প্রাণ বাঁচাতে সেখানে ঢুকেছিলেন, যিনি পরে হামলাকারীদের গুলিতে নিহত হয়।

ঘটনার বর্ণনাকারী ব্যক্তিটি কাজ করতেন গুলশানে অবস্থিত হলি আর্টিসান রেস্টুরেন্টটির উপরের তলায়। বলেন, সেদিন তিনি পাস্তার উপকরণ আনতে ভেতরে শীতল কক্ষে গেলে হঠাৎ বাইরে থেকে জোরে জোরে ‘আল্লাহু আকবার’ বলতে শোনেন, আর সাথে ছিল গুলির শব্দ।

তিনি শীতল কক্ষটির বাইরে তাকালে দেখেন, অতিথিদের বেশ কয়েকজন মাটিতে পড়ে আছে, যাদের কিছুক্ষণ আগেই খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল। ওই সময়ই একজন জাপানি নাগরিক তার কাছে ওই শীতল কক্ষে আসতে হাত জোড় করে মিনতি করতে থাকে। তবে ওই কক্ষটি ভেতর থেকে আটকানোর কোনো ব্যবস্থা ছিল না। ব্যক্তিটি দেখেন হামলাকারীরা হালকা ব্যায়াম করছিল, দেখে মনে হচ্ছিল তারা একটু ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

হামলার পরপরই (রাত সাড়ে আটটা থেকে সাড়ে দশটা) হামলাকারীরা হঠাৎ সবাই চুপচাপ হয়ে যায়। একজন বলে-‘আর কেউ বাকী আছে কিনা, দেখো।’

প্রথমে একজন ভেতরে প্রবেশ করে আর দুজন রেস্টুরেন্টটির দরজায় দাঁড়িয়ে তাদের অবস্থান নেয়। 

তারা শীতল কক্ষের ভিতর আশ্রয় নেয়া জাপানি নাগরিকটিকে বের করে নিয়ে যায়।

এ সময় সাক্ষাৎকার প্রদানকারী হামলাকারীদের কাছে প্রাণভিক্ষা চান। সেসসময় দরজার সামনে একজন এসে থামে, পরে ব্যক্তিটি জানতে পেরেছিলেন, ছেলেটি ছিল ২০বছর বয়সী রোহান ইমতিয়াজ, যে একজন বাংলাদেশী রাজনৈতিক নেতার সন্তান। সে বলছিল- ‘চিন্তা করোনা। বেরিয়ে যাও।’

সেখান থেকে বেরিয়ে তিনি দেখেন, রেস্টুরেন্টটির রক্তাক্ত ডাইনিং-এ সব জাপানি নাগরিকদের একত্রে জড়ো করা হয়েছে। লোকটি জানান, ‘আমি চার থেকে পাঁচজন জাপানি নাগরিককে দেখেছিলাম।’

যখন তিনি দেখার চেষ্টা করেন জাপানের নাগরিকটি কোথায় গেল, দেখলেন, একজন হামলাকারী জাপানের নাগরিকটির দিকে বন্দুক তাক করে আছে, এর কিছুক্ষণ পরই তিনি দুটো গুলির আওয়াজ পান। তবে সামনে দেয়াল থাকায় কিছুই দেখতে পাননি। বলেন, ‘সে তরুণ ছিল, আমরা একটা শীতল কক্ষের ভিতর লুকিয়েছিলাম, আমি তাকে তার নাম জিজ্ঞেস করেছিলাম কিন্তু এখন আর তার নাম মনে পড়ছে না।’

ওই সময় তিনি রেস্টুরেন্টটির বিভিন্ন টেবিলের নিচে এবং বাইরে ছড়িয়ে থাকা বিদেশিদের লাশ দেখতে পান।

‘এক ভারতীয় মহিলা যে হামলাকারীদের গুলিতে খারাপভাবে আহত ছিল, তাকেও বড় একটা ছুরি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়, কোনোপ্রকার দয়া ছাড়া’, জানায় লোকটি।

বলেন, তারা নিজেদের আইএস পরিচয় দিচ্ছিল, জিন্স আর টি-শার্ট পরা ছেলেগুলোকে অনেক শান্ত দেখাচ্ছিল। তারা ইংরেজি আর আরবিতে অনর্গল কথা বলছিল এবং অনবরত তাদের সেলফোনে কথা বলছিল।

২২বছর বয়সী নিবরাস ইসলাম, যাকে তাদের নেতা বলে মনে হচ্ছিল, বলছিল-‘বাংলাদেশীদের চিন্তার কিছু নেই।’ আরও ৭ সন্দেহভাজনের মধ্যে আরেকজন ১৮বছর বয়সী মীর সমিহ মুবাশ্বির, প্রত্যেকের এবং সবার সাথে কুশল বিনিময় করছিল। লোকটির ভাষায়, ‘তার আচরণ অদ্ভুত ছিল।’

পরদিন সকালে বাংলাদেশিদের ছেড়ে দেয়ার পর হামলাকারীদের একজন রোহান ইমতিয়াজ কুরআন থেকে কিছু তিলাওয়াত করে এবং বলে, ‘এখন আমরাও মৃত্যুর জন্য তৈরি।’

ব্যক্তিটি জানান তিনি এরপর কমান্ডোদের দেখেছিলেন যারা অস্ত্রসহ হামলাস্থল আর্টিসানে প্রবেশ করে। যখন তারা দ্বিতীয় তলায় পালানোর চেষ্টা করে, তখনই প্রচন্ড গোলাগুলির আওয়াজ পাওয়া যায়।

এর কিছুক্ষণ পরই হামলার বর্ণনা দেয়া লোকটিকে কর্তৃপক্ষ তাদের হেফাজতে নেয়।

‘নিহত জাপানিদের জন্য আমার গভীর আবেগ ছাড়া আর কিছুই করার ছিলনা, এটা খুবই দুঃখজনক।’-জানায় বেঁচে যাওয়া লোকটি।