Tuesday, 10 January 2017

বান্দরবান জেলার দর্শনীয় স্থান সমূহ

বান্দরবন বাংলাদেশের নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের লীলা ভূমি। এর অপার সৌন্দয্যে মুগ্ধ হয় না এমন মানুষ খুব কমই আছে। চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান জেলার দূরত্ব ৭৫কিলোমিটার। বান্দরবান জেলার আয়তন ৪৪৭৯ বর্গ কিলোমিটার।

দর্শনীয় স্থানসমূহঃ

বুদ্ধ ধাতু জাদি: বান্দরবন শহর থেকে চার কিলোমিটার দূরে বালাঘাটায় অবস্থিত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ মন্দির। স্থানীয়ভাবে স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত। এটি স্বর্ণমন্দির নামে পরিচিত পেলেও এটি স্বর্ণ নির্মিত নয়। মূলত সোনালী রঙের জন্যেই এটির নাম হয়েছে স্বর্ণমন্দির।এটা থেরাবেড়া বৌদ্ধমন্দিরটি ৬০ মিটার উঁচু পর্বতের শীর্ষদেশে অবস্থিত। মন্দিরটি দক্ষিণপূর্ব এশীয় স্থাপত্যশৈলীতে তৈরী করা হয়েছে এবং এখানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ বৌদ্ধ মূর্তিটি আছে। সন্ধ্যা ছয়টার পরে মন্দিরে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ। মন্দির চত্ত্বরে শর্টপ্যান্ট, লুঙ্গি এবং জুতা পায়ে প্রবেশ নিষিদ্ধ। পাহাড়ের চূড়ায় দেবতাপুকুর নামে একটি লেক আছে 

শৈল প্রপাত বান্দরবন থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে থানচি যাওয়ার পথে মিলনছড়ি নামক স্থানে চমৎকার এই জলপ্রপাতটি অবস্থিত। বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন এটার রক্ষণাবেক্ষনের দ্বায়িত্বে আছে।

মেঘলা এবং নীলাচল বান্দরবন থেকে ৪ কিলোমিটার দূরে কেরানিহাট যাওয়ার পথে মেঘলা পর্যটন স্পট অবস্থিত। এখানে একটি মিনি সাফারী পার্ক, চিড়িয়াখানা এবং ঝুলন্ত সেতু আছে। জেলা প্রশাসন মেঘলার কাছে টাইগারপাড়ায় নীলাচল নামে পর্যটন স্পট গড়ে তুলেছে।রাজবিহার এবং উজানিপাড়া বিহারঃ স্থানীয়ভাবে বৌদ্ধ মন্দিরসমূহ কিয়াং এবং বিহার নামে পরিচিত। জাদিপাড়ায় অবস্থিত রাজবিহার খুবই সুপরিচিত। উজানিপাড়ায় অবস্থিত উজানিপাড়া বিহারটিও উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান।

চিম্বুক পাহাড় এবং উপজাতীয় গ্রাম বান্দরবন শহর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের অন্যতম উঁচূ শৃঙ্গ চিম্বুক পাহাড় অবস্থিত। চিম্বুক পাহাড়ের পাদদেশে বম নৃগোষ্ঠীর গ্রাম দেখতে পাওয়া যায়। অল্প কিছুদূরে ম্রোদের গ্রাম অবস্থিত। শহর থেকে এক দিনেই চিম্বুক পাহাড় এবং বম ও ম্রো গ্রাম ঘুরে আসা সম্ভব।নীলগিরি এবং থানচিঃ নীলগিরি অন্যতম উঁচু পাহাড় এবং বাংলাদেশ সৌন্দর্য্যময় পর্যটন স্পট। বান্দরবন শহর থেকে ৪৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এখানে একটি রিসোর্ট আছে। সেনা কর্মকর্তাদের সহায়তায় এখানে বুকিং সম্পন্ন করতে হয়। এখানে রেস্টুরেন্ট, হেলিপ্যাড, সুসজ্জিত কটেজ ইত্যাদির ব্যবস্থা আছে। বিদেশী পর্যটকগনের এখানে অবস্থানের উপর নিষেধাজ্ঞা আছে।

বগালেকঃ বগাকাইন লেক নামেও পরিচিত। ছোট ছোট গ্রাম এবং পাহাড়কে পাশ কাটিয়ে বয়ে চলেছে নান্দনিক এই জলাশয়টি। বগালেক বাংলাদেশের সব থেকে সৌন্দর্যময় প্রাকৃতিক লেক। বান্দরবনের রুমা সদর উপজেলা থেকে ১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০০০ কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত লেকটির আয়তন ১৫ একর। লেকের নীল পানি পর্যটকদের মুগ্ধ করে। লেকটির তৈরী হওয়ার পিছনে অনেক লোকগল্প প্রচলিত আছে। শীত মৌসুমে বগালেকে পর্যটকের ভিড় উপচে পড়ে। বর্ষাকালে বগালেক এলাকায় ভ্রমন কঠিন হয়ে পড়ে। বগালেকের আশপাশে বম এবং খুমি নৃগোষ্ঠীর লোক বাস করে।

অন্যান্য স্থান প্রান্তিক লেক, জীবননগর এবং কিয়াচলং লেক।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ ২য় রিলিজ স্লিপ এ কই টি সিট খালি আছে দেখুন

২য় রিলিজ-স্লিপ এর লিংক দিচ্ছি সবাই চেক করে নিতে পারেন কোন কলেজ এ কত সিট খালি আছে, মোবাইল বা ল্যাপ-টপ দিয়ে।

তবে আবেদন সম্পূন করতে হলে পিডিএফ ফাইল কম্পিউটার দিয়ে প্রিন্টার এর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে, মোবাইল দিয়ে শুধু চেক করে নিতে পারবেন।
লিংকঃ

National University  এই লিংক এ গিয়ে শুধু রোল ও পিন নাম্বার দিন...

Monday, 9 January 2017

ঘুরে আসুন মেঘের দেশ নীলাচল, বান্দরবান এ..

বান্দরবান শহরের কাছে প্রায় দুই হাজার ফুট উঁচু পাহাড়ের উপর অবস্থিত নীলাচল পর্যটন কেন্দ্র। শহর থেকে মাত্র ৫ কিমি দুরে অপরূপ সৌন্দর্যের এক লীলাভূমি এই নীলাচল যা টাইগার পাড়া এলাকায় অবস্থিত। চারদিকে দিগন্ত বিস্তৃত পাহাড়ের ঢালে কোথাও আঁকা-বাঁকা রাস্তা, পাহাড়ী পাড়া আর রূপালী নদী গুলো যেন শিল্পীর আঁকা ছবি। এই পাহাড় থেকে এক নজরে দেখা যাবে পুরো বান্দরবান শহর। সুর্যোদয় আর সুর্যাস্ত দেখা যেতে পারে এখান থেকেও। নীলাচল পাহাড়ি এলাকাটি অনেকেই স্বর্গভূমি বলে থাকেন। মেঘমুক্ত আকাশে কক্সবাজারর সমুদ্রসৈকতের অপুর্ব দৃশ্য নীলাচল থেকে পর্যটকেরা উপভোগ করতে পারেন। বিশেষকরে নীলাচলে সুর্যাস্তের দৃশ্য আমাদের মনে স্বর্গীয় অনুভূতি আনে। এই জায়গায় বর্ষা, শরৎ কি হেমন্ত— তিন ঋতুতে ছোঁয়া যায় মেঘ।

শহর ছেড়ে চট্টগ্রামের পথে প্রায় তিন কিলোমিটার চলার পরেই হাতের বাঁ দিকে ছোট একটি সড়ক এঁকেবেঁকে চলে গেছে নীলাচলে। এ পথে প্রায় দুই কিলোমিটার পাহাড় বেয়ে তাই পৌঁছুতে হয়। মাঝে পথের দুই পাশে ছোট একটি পাড়ায় দেখা যাবে ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর মানুষের বসবাস।

নীলাচলে সম্প্রতি নতুন কয়েকটি জায়গা তৈরি করা হয়েছে পর্যটকদের জন্য। এখানকার টিকেট ঘরের পাশে ‘ঝুলন্ত নীলা’ থেকে শুরু করে ক্রমশ নীচের দিকে আরও কয়েকটি বিশ্রামাগার তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘নীহারিকা’ এবং ‘ভ্যালেন্টাইন’ পয়েন্ট। পাহাড়ের ঢালে ঢালে সাজানো হয়েছে এ জায়গাগুলো। একটি থেকে আরেকটি একেবারেই আলাদা। একেক জায়গা থেকে সামনের পাহাড়ের দৃশ্যও একেক রকম। তবে মূল নীলাচলের সৌন্দর্য অনেক বেশি। এখান থেকে পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায় আরও ভালোভাবে।

নীলাচলের বাড়তি আকর্ষণ হল এখানকার রিসোর্ট। নাম নীলাচল স্কেপ রিসোর্ট। সাধারণ পর্যটকদের জন্য এ জায়গায় সূর্যাস্ত পর্যন্ত অনুমতি আছে। তবে রিসোর্টের অতিথিদের জন্য সর্বক্ষণই খোলা এ জায়গা।

প্রবেশমূল্যঃ

নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্সে জনপ্রতি প্রবেশ মূল্য ৩০ টাকা। নীলাচলে যেতে সড়কের টোল পরিশোধ করতে হয়। অটো রিকশা ৩০ টাকা, জিপ ৬০ টাকা। পর্যটকরা সকাল থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নীলাচলে অবস্থান করতে পারবেন।

কীভাবে যাবেনঃ
প্রথমে আপনাকে বান্দরবান শহরে যেতে হবে। ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন বান্দরবানের উদ্দেশ্যে কয়েকটি পরিবহন কোম্পানির গাড়ি ছেড়ে যায়। যেমন শ্যামলি, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, ডলফিন- এর যেকোনো একটি বাসে চড়ে আপনি বান্দরবানের যেতে পারেন। রাত ১০ টায় অথবা সাড়ে ১১টার দিকে কলাবাগান, সায়েদাবাদ বা ফকিরাপুল থেকে এসব বাস বান্দরবানের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। নন এসি বাসে জন প্রতি ভাড়া ৫৫০ টাকা। এসি ৯৫০ টাকা।

চট্টগ্রাম থেকে বান্দরবান যেতে পারেন। বদ্দারহাট থেকে বান্দারবানের উদ্দেশে পুরবী, সৌদিয়া,ইউনিক, BRTC ও পূর্বানী পরিবহনের বাস যায়। এসব বাসে জনপ্রতি ২২০টাকা ভাড়া রাখা হয়।

এরপর বান্দরবান বাস ষ্টেশন থেকে নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স যেতে অবস্থানের সময়ানুযায়ী অটো রিকশার ভাড়া পড়বে ৫শ’ থেকে ১ হাজার টাকা। আর চাঁদের গাড়ি কিংবা জিপ গাড়ির ভাড়া পড়বে ১ হাজার ২শ’ থেকে ৩ হাজার টাকা।

পরিবহন ভাড়া

ট্রেনে ঢাকা হতে চট্টগ্রামঃ এসি- ৩৬৫-৪৮০ টাকা। নন এসি-১৫০-১৬৫ টাকা।

বাসে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামঃ এসি- ৫৮০-৭৯০ টাকা। নন এসি-২০০-২৫০ টাকা।

ঢাকা থেকে বাসে সরাসরি চট্টগ্রামঃ ৩৫০ টাকা

চট্টগ্রাম হতে বান্দরবনঃ ১২০ টাকা

অনলাইন থেকে আয় করার টিপস

আরও অন্য দশজন স্কুল কিংবা কলেজ পড়ুয়া ছাত্রদের মত আপনিও আপনার মূলবান সময়টুকু ব্যয় করছেন ফেইসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন রকম সামাজিক যোগাযোগের সাইটে। মাঝে মাঝে আমার নিজের প্রতিও খুব দুঃখ হয় কেন আমি বিগত দুই বৎসর এ সকল সাইটে সময় ব্যয় করলাম। আমি নিজে প্রায় দুই বৎসর ফেইসবুক, টুইটার এবং বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলে সময় পার করেছি। এখন আমি ভাবি কেন আমি এ সময় টুকু ঐ সমস্ত সামাজিক যোগাযোগের সাইটে ব্যয় না করে ব্লগিং করে কাটালাম না।

এ রকম আমার অনেক বন্ধু বান্ধব আছে যারা ঠিক একই ভাবে বিভিন্ন সামজিক যোগাযোগের সাইটে চ্যাট করে প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা সময় পার করে দিচ্ছে। আপনি যদি হিসাব করেন যে, আপনি প্রতিদিন গড়ে কতটুকু সময় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পার করছেন, তাহলে বেশীরভাগ লোকই বলবে ২-৩ ঘন্টা। তাহলে আপনি কি ভাবছেন এ সংখ্যা বছরে কতয় গিয়ে দাড়াচ্ছে। বছরে অন্তত ১০০০-১২০০ ঘন্টা পার করছেন ইন্টারনেটে বিভিন্ন সমাজিক যোগাযোগ এর সাইটে চ্যাট করে। কিন্তু একবারও কি আপনি নিজের কাছে প্রশ্ন করেছেন যে, আপনার এ মূল্যবান সময়গুলি ব্যয় করে আপনি কি পেয়েছেন? আমিত নির্ধিদ্বায় বলতে পারি এর শুরু থেকে শেষ অব্দি শুধু শূন্য আর শূন্য।

আপনার মূ্ল্যবান সময়ের সামান্য সময় ব্যয় করে যদি কিছু টাকা পয়সা ইনকাম করে নিজের প্রয়োজন মিটাতে পারেন, তাহলে অন্যের কাছ থেকে ধার কর্জ করে চলার চেয়ে খারাপ কি? ইন্টারনেট জগৎটাFacebook, social media and gaming এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আপনার সামান্য ইচ্ছা শক্তির বলে আপনি ইন্টারনেট হতে কিছু টাকা উপাজর্ন করতে পারেন। এই জন্য আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো কিভাবে ছাত্র-ছাত্রী, গৃহিনী এবং কিশোর বয়সি আধুনিক জেনারেশনরা ইন্টারনেট হতে অল্প কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের ব্যক্তিগত প্রয়োজন মিটাতে পারেন।
কেন ছাত্রদের টাকার প্রয়োজনঃ 
স্কুল কিংবা কলেজ সকল স্তরের ছাত্র-ছাত্রীদের কিছু Extra Pocket Money এর প্রয়োজন হয়। এই অল্প টাকা দিয়েই সে তার নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট খাটো সখ এবং প্রয়োজন গুলি মিটিয়ে নিতে পারে। তাছাড়াও স্বাভাবিক ভাবেই এখনকার জেনারেশনের ছাত্রদের Smartphone, Gaming consoles, Cool cloths ইত্যাদি লাগেই। এ গুলি তাদের চলার পথকে আর Smart এবং সুগম করে। এই ছোট খাটো ব্যাপার গুলি অনেক সময় আপনার ফ্যামেলির কাছ থেকে চেয়ে নিতে পারবেন না। এই জন্য আপনি যদি অল্প সময় ব্যয় করে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিজের প্রয়োজন নিজেই মিটাতে পারেন, তাহলে নিজেকে যেমন আত্ম নির্ভরশীল মনে হতো তেমনি প্রয়োজন গুলিও মিটে যেত। তাছাড়া অনেক গৃহিনী আছেন যাদের বাসায় বসে থাকা ছাড়া কোন কাজই থাকে না। তারা বেশীরভাগ সময় ব্যয় করে ফেইসবুকে বন্ধুদের সাথে চ্যাট করে। আপনি অযথা এই সময় ব্যয় না করে যদি নিজের কিছু প্রয়োজন মিঠাতে পারেন বা অল্প আয় করতে পারেন তাহলে দুষের কি? নিচে আমি অনলাইন হতে আয় করা সহজ কিছু কৌশল দেখাবো, যেখান থেকে আপনিও ইচ্ছা করলে কিছু পয়সা উপার্জন করে নিতে পারবেন।

০১। YouTubeহতে টাকা উপার্জনঃ
অনলাইন থেকে টাকা উপার্জনের সবচেয়ে সহজ পথ হচ্ছে YouTube এখান থেকে যে কোন বয়সের লোক খুবই সহজে টাকা উপার্জন করতে পারেন। ইন্টারনেট বিশ্বের জনপ্রিয় ১০ ওয়েবসাইটের মধ্যে YouTube হচ্ছে একটি। আপনি ইচ্ছে করলেই এখান থেকে কম সময় ব্যয় করে অল্প অভীজ্ঞতা নিয়ে মাসে ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারেন। এই জন্য আপনাকে যেটি করতে হবে- প্রথমে বিভিন্ন ভাল মানের ভিডিওYouTubeএ আপলোড করতে হবে। এ জন্য আপনি আপনার মোবাইল ফোনকে ব্যবহার করতে পারেন। আপনি যদি ভ্রমন প্রিয় লোক হন তাহলে বিভিন্ন সুন্দর সুন্দর প্রকৃতিক দৃশ্যগুলি আপনার ক্যামেরায় ফ্রেমবন্দী করেও এ কাজটি করতে পারেন। অথবা আপনি যে বিষয় ভালভাবে জানেন সে বিষয়ে বিভিন্ন টেউটোরিয়াল তৈরী করেও কাজটি করতে পারেন। কিন্তু মনে রাখবেন কারও কোন নকল ভিডিও কপি করে এটি করা যাবে না। এতে করে হিতের বিপরীত হতে পারে। 

০২। ব্লগিং করে বা ব্লগে আর্টিকেল লিখেঃ আপনি গুগল ব্লগারে কিংবা ওয়ার্ডপ্রেসে বিনা মূল্যে একটি ব্লগ তৈরী করে নিতে পারেন। এখন ব্লগ তৈরী করে থেমে থাকলে হবে না। আপনার যে বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান আছে, আপনি সে বিষয় নিয়ে লিখে যান। এ ক্ষেত্রে হয়তো আপনি প্রথম ২-৩ মাস একটু কষ্ট করতে হবে। তাই বলে আপনি নিরাশ হয়ে থেমে থাকবেন না। আপনি প্রতিদিন নিত্য নতুন আর্টিকেল লিখতে থাকেন। আপনার বিষয়টি যদি ইউনিক এবং জ্ঞানগর্ভপূর্ণ হয় তাহলে ভিজিটর অবশ্যই আপনার ব্লগে আসবে। এ ক্ষেত্রে সফলতা পেতে আপনাকে বেশী দিন অপেক্ষা করতে হবে না। আপনি নিজে নিজেই টাকা উপার্জনের পথ সুঘম করে নিতে পারবেন।

০৩। Freelancing – একজন লেখক হয়েঃ Freelancing হচ্ছে এমন একটি সাইট যেখানে আপনি আপনার লেখা বা আর্টিকেল শেয়ার করে টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আপনি যদি একজন ভাল লেখক হন কিংবা যে কোন বিষয়ে ভাল জ্ঞান রাখেন, তাহলে যদি সে বিষয়ে ভাল মানের আর্টিকেল লিখতে পারেন, তাহলেই এটা আপনার পক্ষে সম্ভব। আপনার লেখার মান যদি ভাল হয় তাহলে Freelancing এ আপনার লেখার মূল্য অর্থাৎ টাকা উপার্জনের পরিমান দিন দিন বাড়তে থাকবে। এখান থেকে মাসে লাখ টাকা উপার্জন করে এমন লোকও আছে। এখানে যার যার মেধা অনুসারে তার প্রতিফলন ঘটাতে পারে।

০৪। Adsense থেকে টাকা উপার্জনঃ Adsense হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপনের (Advertisement) Program. এটি গুগল কর্তৃপক্ষ সয়ং নিজে পরিচালনা করছে। আপনি যদি আপনার ব্লগটিকে ভাল মানের Platform এ নিয়ে যেতে পারেন এবং আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তাহলে Adsense থেকে আপনি হাজার হাজার টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ পদ্ধতীতে আপনার ব্লগে Adsense এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে ক্লিক প্রতি ডলার আয় করতে পারবেন। অনেকে বলে Adsense Approv করাটা অনেক কঠিন কাজ। কিন্তু আমি বলছি মোটেও কঠিন কাজ নয়। আপনি যদি মানসম্মত ২৫-৩০ টি ইউনিক কনটেন্ট লিখতে পারেন তাহলে নিঃসন্দেহে Adsense Approv হয়ে যাবে। এখান থেকে আপনি দীর্ঘ দিন যাবত টাকা উপার্জন করে যেতে পারবেন।

০৫। প্রশ্ন উত্তরের মাধ্যমে (Ask And You Answer): আপনি যদি বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন, যেমন ধরুন - Math, English, Physics, Biology, Humanities ইত্যাদি। তাহলে আপনি প্রশ্ন উত্তর প্রদানের মাধ্যমে ইন্টারনেটে অন্যের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর সঠিকভাবে দিতে পারেন, তাহলে ইন্টারনেটে অনেক সাইট আছে যেগুলি আপনার সাথে যোগাযোগ করবে তাদের সাইটে জয়েন করার জন্য। ফলে তাদের সাইটে জয়েন করার মাধ্যমে ঐ কোম্পানী হতে আপনি ভাল মানের টাকা উপার্জন করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি বেশ চালাক এবং বুদ্ধিমান হতে হবে। আপনি বুঝতেই পারছেন আপনার চালাকি এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে টাকা উপার্জন করবেন।

০৬।EBAY and AMAZON এ আপনার Products বিক্রির মাধ্যমেঃ আপনারা হয়তো জানেন যে, ইন্টারনেট এর মাধ্যমে পন্য কেনা কাটার জন্য জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে Ebay and Amazon. এখানে লোকজন তাদের বিভিন্ন ধরনের Products বিক্রি করার জন্kয বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন। আপনার পন্যটি যদি ক্রেতার কাছে ভাল মনে হয় তাহলে পন্যটি কেনার জন্য ক্রেতারা আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। আপনি যদি আপনার Products বিক্রি করে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হতে পারেন, তাহলে এখান থেকে কমদামে বিভিন্ন জিনিস ক্রয় করে ভাল দামে বিক্রয় করে লাভবান হতে পারেন। তবে এই সুবিধা পাওয়ার জন্য আপনাকে আগে একজন ভাল মানের বিক্রেতা হিসেবে প্রমান করতে হবে।

উপসংহারঃ আপনারা পোষ্টটি পড়ে হয়তো ভাবছেন এখানে ইন্টারনেট হতে আয় করার কথা বার বার বলা হচ্ছে কিন্তু কিভাবে করবো তা দেখানো হচ্ছে না কেন? আসলে কিভাবে আয় করবেন এটা নিয়ে বর্ণনা করা এই পোষ্টের উদ্দেশ্য নয়। আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের শুধু আয় করার সহজ কয়েকটি পথ দেখিয়ে দিলাম। যার ফলে আপনি এই পথ ধরে অনলাইন হতে কিছু টাকা উপার্জন করে নিতে পারবেন। আর আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে এ সম্পর্কে ইন্টারনেট হতে বিস্তারিত জেনে নিতে পারবেন। তবে আমরাও পরবর্তীতে আলাদাভাবে সব টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো, ইনশাআল্লাহ্। ততক্ষণ আমাদের সাথে থাকুন। ধন্যবাদ...
For more info: visit- http://www.mamun-ctg.blogspot.com

Friday, 16 December 2016

রিলিজ স্লিপ এ ভর্তির প্রয়োজনীয় তথ্য

.
#কিছু প্রশ্ন এর উত্তর....... 
.
১) রিলিজ স্লিপ কি মাইগ্রেশন করা যায় কি?
উত্তর : না
.
২) রিলিজ স্লিপ এ কি কলেজ মাইগ্রেশন করা যায়?
উত্তর: না
.
৩) টাকা দিয়ে কি ভর্তি হওয়া যাবে না?
উত্তর : না
.
৪)আমার বিষয় পছন্দ হয়নি আমি কি ২য় রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারব?
উত্তর : ভর্তি না হলে পারবে।
.
৫) ২য় রিলিজ স্লিপ কি দেয়?
উত্তর : সিট খালি থাকা সাপেক্ষ দেয়....!
.
৬) ভর্তি হতে কি কি লাগে?
উত্তর : ভালো হয় কষ্ট করে কলেজ নোটিশ চেক করলে।
.
৭) অনলাইনের ফরম কি প্রীন্ট করতে হবে?
উত্তর : হ্যাঁ ২ কপি করতে হবে। কলেজ আর স্টুডেন্ট কপি।
.
৮) ফরম কি ভাবে পুরন করব?
উত্তর : ফরম সঠিক ভাবে পুরন করতে হবে.... কম্পিউটার দোকানে গিয়ে বোঝে শুনে কাজ করতে হবে....। কোন ভুল যেন না হয়।
.
৯)আমার ওমুক কার্ড নাই হারিয়ে গেছে কি করব?
উত্তর : আপনি জিডি করে জিডি কপি জমা দিয়ে ভর্তি হতে পারবেন। সমস্যা না।
.
১০) ভাই ভুল করে ফরম পূরনে ভুল করে ফেলছি কি করব?
উত্তর : আপনাকে গাজীপুর গিয়ে ঠিক করে আনিয়ে দিতে হবে।
.
১১) ভাই কোন কলেজে কত টাকা লাগে....?
উত্তর : সেটা কলেজে জিজ্ঞেস করুন।
.
.
.
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ১ম বর্ষ রিলিজ স্লিপে ভর্তির সময়সীমাঃ
.
★রিলিজ স্লিপে মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তির ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফিসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার সময়সীমাঃ ১৪/১২/২০১৬ থেকে ২০/১২/২০১৬
.
.
.
কিছু ভিন্ন প্রশ্ন :
.
.
১)প্রশ্নঃ আমার রিলিজ স্লিপে চান্স হয়নি। আমি কি তাহলে আর অনার্স পড়তে পারবো না? ২য় রিলিজ স্লিপ কি দেবে?
উত্তরঃ সাধারণত ১ম রিলিজ স্লিপে সুযোগ না হলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১ম রিলিজ স্লিপের মত আবারো রিলিজ ২য় রিলিজ স্লিপের আবেদনের সুযোগ দেয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমের ২য় রিলিজ স্লিপের অনলাইন আবেদন ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত চলে।
.
২)প্রশ্নঃ আমি কি রিলিজ স্লিপে যে সাবজেক্ট পেয়েছি সেটা কি মাইগ্রেশন করে অন্য সাব্জেক্টে যেতে পারবো?
উত্তরঃ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে রিলিজ স্লিপে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের কোর্স পরিবর্তনের কোন সুযোগ থাকবে না৷ অর্থাৎ আপনার সাবজেক্ট পরিবর্তনের আর কোন সুযোগ নেই।
.
৩)প্রশ্নঃ আমি রিলিজ স্লিপে সুযোগ পেয়েছি। ভর্তি হতে কি কি কাগজপত্র লাগবে?
উত্তরঃ রিলিজ স্লিপে সুযোগপ্রাপ্তদের নিম্নোক্ত কাগজপত্র লাগবেঃ
.
.
*অনলাইন থেকে মূল আবেদন ফর্মের – ২ সেট ( অবশ্যই A4 অফসেট সাদা কাগজেকালার প্রিন্ট করতে হবে)।
.
*প্রাথমিক আবেদনের প্রবেশপত্র -২সেট।
.
*পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৪টি এবং স্ট্যাম্প সাইজ ৪টি পেছনে নাম লিখে দিতে হবে (কলেজভেদে কম বেশি হতে পারে)।
.
*এসএসসি ও এইচএসসি এর সনদপত্র/প্রশংসা পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
.
*এসএসসি ও এইচএসসি মূল নম্বরপত্রের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
.
*এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট
.
*টাকা জমার রশিদ।
.
*চারিত্রিক সনদপত্র (সাধারণত লাগেনা, কোন কোন কলেজে লাগতে পারে) – ২ টি।
.
.
উল্লেখ্য, সকল কাগজপত্র ২ কপি করে ২সেট বানাতে হবে যার এক কপি বিভাগীয় সেমিনারে এবং এক কপি অফিসে জমা দিতে হবে।
.
#ভর্তি ফিঃ ভর্তি ফি কলেজ ভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে তাই যার যার কলেজের নোটিশ বোর্ড থেকে জেনে নেওয়াই ভালো। সাধারণত সরকারী কলেজ হলে ৪-৫ হাজার আর বেসরকারী কলেজে হলে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
.
.
.ভিন্ন প্রশ্ন:
.
১) ডিগ্রী আবেদন কবে থেকে?
উত্তর : Nu কোন নোটিশ দেয় নাই।
.
২) প্রফেশনালে এখন আবেদন করা যাবে?
উত্তর : হ্যাঁ যাবে।
.
৩) প্রফেশনালের আবেদনের শেষ সময় কখন?
উত্তর : ২০ ডিসেম্বর।
.
৪)Law কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়া যায়?
উত্তর : হ্যাঁ
.
.
.
শেয়ার করার মাধ্যমে অন্য কে জানার সুযোগ করে দিন