Friday, 16 December 2016

রিলিজ স্লিপ এ ভর্তির প্রয়োজনীয় তথ্য

.
#কিছু প্রশ্ন এর উত্তর....... 
.
১) রিলিজ স্লিপ কি মাইগ্রেশন করা যায় কি?
উত্তর : না
.
২) রিলিজ স্লিপ এ কি কলেজ মাইগ্রেশন করা যায়?
উত্তর: না
.
৩) টাকা দিয়ে কি ভর্তি হওয়া যাবে না?
উত্তর : না
.
৪)আমার বিষয় পছন্দ হয়নি আমি কি ২য় রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারব?
উত্তর : ভর্তি না হলে পারবে।
.
৫) ২য় রিলিজ স্লিপ কি দেয়?
উত্তর : সিট খালি থাকা সাপেক্ষ দেয়....!
.
৬) ভর্তি হতে কি কি লাগে?
উত্তর : ভালো হয় কষ্ট করে কলেজ নোটিশ চেক করলে।
.
৭) অনলাইনের ফরম কি প্রীন্ট করতে হবে?
উত্তর : হ্যাঁ ২ কপি করতে হবে। কলেজ আর স্টুডেন্ট কপি।
.
৮) ফরম কি ভাবে পুরন করব?
উত্তর : ফরম সঠিক ভাবে পুরন করতে হবে.... কম্পিউটার দোকানে গিয়ে বোঝে শুনে কাজ করতে হবে....। কোন ভুল যেন না হয়।
.
৯)আমার ওমুক কার্ড নাই হারিয়ে গেছে কি করব?
উত্তর : আপনি জিডি করে জিডি কপি জমা দিয়ে ভর্তি হতে পারবেন। সমস্যা না।
.
১০) ভাই ভুল করে ফরম পূরনে ভুল করে ফেলছি কি করব?
উত্তর : আপনাকে গাজীপুর গিয়ে ঠিক করে আনিয়ে দিতে হবে।
.
১১) ভাই কোন কলেজে কত টাকা লাগে....?
উত্তর : সেটা কলেজে জিজ্ঞেস করুন।
.
.
.
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে অনার্স ১ম বর্ষ রিলিজ স্লিপে ভর্তির সময়সীমাঃ
.
★রিলিজ স্লিপে মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে চূড়ান্ত ভর্তির ফরম প্রিন্ট করে রেজিস্ট্রেশন ফিসহ সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দেয়ার সময়সীমাঃ ১৪/১২/২০১৬ থেকে ২০/১২/২০১৬
.
.
.
কিছু ভিন্ন প্রশ্ন :
.
.
১)প্রশ্নঃ আমার রিলিজ স্লিপে চান্স হয়নি। আমি কি তাহলে আর অনার্স পড়তে পারবো না? ২য় রিলিজ স্লিপ কি দেবে?
উত্তরঃ সাধারণত ১ম রিলিজ স্লিপে সুযোগ না হলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ১ম রিলিজ স্লিপের মত আবারো রিলিজ ২য় রিলিজ স্লিপের আবেদনের সুযোগ দেয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) ভর্তি কার্যক্রমের ২য় রিলিজ স্লিপের অনলাইন আবেদন ৩০ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখ থেকে শুরু হয়ে ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখ পর্যন্ত চলে।
.
২)প্রশ্নঃ আমি কি রিলিজ স্লিপে যে সাবজেক্ট পেয়েছি সেটা কি মাইগ্রেশন করে অন্য সাব্জেক্টে যেতে পারবো?
উত্তরঃ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে রিলিজ স্লিপে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের কোর্স পরিবর্তনের কোন সুযোগ থাকবে না৷ অর্থাৎ আপনার সাবজেক্ট পরিবর্তনের আর কোন সুযোগ নেই।
.
৩)প্রশ্নঃ আমি রিলিজ স্লিপে সুযোগ পেয়েছি। ভর্তি হতে কি কি কাগজপত্র লাগবে?
উত্তরঃ রিলিজ স্লিপে সুযোগপ্রাপ্তদের নিম্নোক্ত কাগজপত্র লাগবেঃ
.
.
*অনলাইন থেকে মূল আবেদন ফর্মের – ২ সেট ( অবশ্যই A4 অফসেট সাদা কাগজেকালার প্রিন্ট করতে হবে)।
.
*প্রাথমিক আবেদনের প্রবেশপত্র -২সেট।
.
*পাসপোর্ট সাইজের ছবি ৪টি এবং স্ট্যাম্প সাইজ ৪টি পেছনে নাম লিখে দিতে হবে (কলেজভেদে কম বেশি হতে পারে)।
.
*এসএসসি ও এইচএসসি এর সনদপত্র/প্রশংসা পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
.
*এসএসসি ও এইচএসসি মূল নম্বরপত্রের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট।
.
*এসএসসি ও এইচএসসি রেজিস্ট্রেশন কার্ডের (এইচএসসি এর মুল কপি) সত্যায়িত ফটোকপি – ২ সেট
.
*টাকা জমার রশিদ।
.
*চারিত্রিক সনদপত্র (সাধারণত লাগেনা, কোন কোন কলেজে লাগতে পারে) – ২ টি।
.
.
উল্লেখ্য, সকল কাগজপত্র ২ কপি করে ২সেট বানাতে হবে যার এক কপি বিভাগীয় সেমিনারে এবং এক কপি অফিসে জমা দিতে হবে।
.
#ভর্তি ফিঃ ভর্তি ফি কলেজ ভেদে ভিন্ন হয়ে থাকে তাই যার যার কলেজের নোটিশ বোর্ড থেকে জেনে নেওয়াই ভালো। সাধারণত সরকারী কলেজ হলে ৪-৫ হাজার আর বেসরকারী কলেজে হলে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।
.
.
.ভিন্ন প্রশ্ন:
.
১) ডিগ্রী আবেদন কবে থেকে?
উত্তর : Nu কোন নোটিশ দেয় নাই।
.
২) প্রফেশনালে এখন আবেদন করা যাবে?
উত্তর : হ্যাঁ যাবে।
.
৩) প্রফেশনালের আবেদনের শেষ সময় কখন?
উত্তর : ২০ ডিসেম্বর।
.
৪)Law কি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়া যায়?
উত্তর : হ্যাঁ
.
.
.
শেয়ার করার মাধ্যমে অন্য কে জানার সুযোগ করে দিন

Sunday, 4 December 2016

লোহাগাড়ার চরম্বায় আওয়ামীলীগ নেতাকে মারধর করেছে প্রতিপক্ষরা



চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের উত্তর চরম্বা কাজীর পাড়া এলাকার পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক প্রবীণ আ’লীগ নেতাকে প্রতিপক্ষরা মারধর করেছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে। আহত ব্যক্তির নাম আবদুল নবী (৭০)। সে উল্লেখিত এলাকায় মৃত বদিউর রহমানের পুত্র। গত ২৯ নভেম্বর রাত ৮ টায় এই ঘটনাটি ঘটেছে। এ ব্যাপারে আহত আবদুল নবী বাদী হয়ে ঐ এলাকার মৃত ইসমাইলের পুত্র নুরুল ইসলাম (৫০), খোরশেদ (২৬), আবছার (৩৫), মহিউদ্দিন (৩০), আবদুল হাই এর পুত্র মহি উদ্দিন(৩০), মৃত সোলতান আহমদের পুত্র নুরুল ইসলাম(২৮) সহ আরো ২/৩ জনকে অজ্ঞাতনামা বিবাদী করে লোহাগাড়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, উল্লেখিত সময়ে কাজির পাড়া এলাকার আবদুল ওদুদের চায়ের দোকানের সামনে পূর্ব বিরোধের জের ধরে গাছের বাটাম, বড় দা, কিরিচ দিয়ে উল্লেখিত বিবাদীগণ সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে অতর্কিতভাবে মারধর করে মারাতœক ভাবে মাথায় প্রচন্ড জখম হয়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে স্ত্রী ছেনোয়ারা বেগম (৫৫) ও পুত্র আবদুল মঈন (২২) কেও প্রতিপক্ষরা মারধর করে। পরবর্তীতে স্থানীয়রার তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। এ ব্যাপারে আহত প্রবীন আ’লীগ নেতা আবদুল নবী বলেন, প্রতিপক্ষরা নুরুল ইসলাম, এরশাদ ও মহি উদ্দিনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী দলবল মিলে দোকানে চা খাওয়া অবস্থায় অতর্কিতভাবে তাকে হামলা চালায়। তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ ও লালন করে আসছি। এছাড়াও তিনি আরো জানিয়েছেন, প্রতিপক্ষরা জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত। আহতের পুত্র আবদুল মঈন উক্ত প্রতিনিধিকে জানান, উল্লেখিত বিবাদীগণ তার বাবা, মা ও তাকে চড়াও হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকারীদের মুঠোফোনে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয় নি।

Sunday, 9 October 2016

আবারও আশা দেখাচ্ছে বাংলাদেশ

আশা! গত ম্যাচের অভিজ্ঞতা টাটকা আছে বলে ‘আশা’ করতেও যেন ভয়! তবে এই মুহূর্তে বাংলাদেশ কিন্তু দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে এসেছে। বাংলাদেশের জয়ের দিকেই ঝুলে আছে ম্যাচের ভাগ্য। ১২৩ রান তুলতেই ৭ উইকেট পড়ে গেছে ইংল্যান্ডের। এখনো ১১৬ রান দূরত্বে তারা। হাতে মাত্র ৩ উইকেট। বাংলাদেশের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়ে জস বাটলারও মাত্রই ফিরলেন ৫৭ রান করে।

২৩৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ২৬ রানেই ৪ উইকেট হারিয়েছিল ইংল্যান্ড। শুরুটা হলো জেমস ভিন্সকে দিয়ে। চতুর্থ ওভারে মাশরাফি বিন মুর্তজার বলে মোসাদ্দেকের ক্যাচ হয়ে ফিরলেন ইংলিশ ওপেনার। পরের ওভারেই বেন ডাকেটকে ফেরালেন সাকিব আল হাসান। সাকিবের বলটা ঠেকানোর কোনো উপায়ই ছিল না। অফ স্টাম্পের অনেক বাইরে পিচ করা বল ভেঙে দিল মিডল স্টাম্প। এ বল যে খেলা যায় না!

বেন স্টোকসও চাইলে এ কথাটি বলতে পারেন। মাশরাফির বলে বোল্ড হয়ে শূন্য হাতে ফিরলেন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান। মাশরাফির আগের ওভারেই ফিরেছেন জেসন রয়। ২৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে তখন ধুঁকছিল ইংল্যান্ড। তারপরই উইকেটে জমে গেলেন বাটলার ও জনি বেয়ারস্টো। ইংল্যান্ডের দুই সংস্করণের দুই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান মিলে পঞ্চম উইকেটে যোগ করলেন ৭৯ রান। মাত্র ৮৩ বলের এই জুটিতেই কোণঠাসা হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ।

ম্যাচের লাগাম যখন বাংলাদেশের প্রায় হাতছাড়া হওয়ার দশা, ঠিক তখনই আবারও বাংলাদেশের আঘাত। নিজের তৃতীয় ওভারে এসে জায়গামতো প্রথম যে বলটি ফেললেন, তাতেই উইকেট পেলেন তাসকিন। তাঁর গুড লেংথের বলটিতে মুশফিকের ক্যাচ হয়ে ফিরলেন বেয়ারস্টো। ১০৫ রানে ৫ উইকেট হারাল ইংল্যান্ড। ২৭তম ওভারের প্রথম বলে ফিরলেন মঈন আলী। নাসিরের বলে ফিরলেন সাকিবের দুর্দান্ত ক্যাচ হয়ে। পরের ওভারেই বাটলারকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেললেন তাসকিন। আম্পায়ার নাকচ করে দিলেও রিভিউ নিয়ে আউট পেয়ে যায় বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের মাথাব্যথা এখন ক্রিস ওকস। গত বিশ্বকাপেও এই ওকস ভুগিয়েছিলেন বেশ। যদিও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে সেবার জয়বঞ্চিত করতে পারেননি। এবার পারবেন? বাংলাদেশের সমর্থকেরা নিশ্চয়ই তা চান না।

সেই দুর্ধর্ষ মাশরাফির ফিরে আসা


‘নাসির, নাসির’ চিত্কারটা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না। ‘মাশরাফি, মাশরাফি’ স্লোগান দখল করে নিল সে জায়গা। ব্যাট হাতে ৪৪ রানের পর বল হাতেও ইংল্যান্ডের ইনিংসে এখন পর্যন্ত তিনবার আঘাত আনলেন। ম্যাচের ফলাফল এখনই অনুমান করা কঠিন হলেও বাংলাদেশ জিতলে এটা হয়ে যেতে পারে মাশরাফির ম্যাচ। ২৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ড কাঁপছে!

আফগানিস্তান সিরিজের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতেও খেলার সুযোগ হয়নি নাসিরের। তাঁকে দলে নিতে যে রকম ‘গণদাবি’ উঠেছিল, মাঠে নামার পর দর্শকদের তাঁকে স্বাগত জানানোটাই ছিল স্বাভাবিক। নাসির তাতে অনুপ্রাণিত হতে পারেন, অনুভব করে থাকতে পারেন চাপও। কিন্তু মাশরাফির ব্যাটে উড়ে গেল সব চাপ। নাসিরের ওপর থেকে, দুই শর নিচে অলআউটের শঙ্কায় দুলতে থাকা বাংলাদেশের ওপর থেকেও। ইনিংসের শেষ ১০ ওভারে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম প্রকম্পিত হলো ‘মাশরাফি মাশরাফি’ ধ্বনিতে।

মাঝে ব্যাটিংটা মাশরাফি ভুলেই গিয়েছিলেন বলে মনে হচ্ছিল। বেশি দূর যাওয়ার দরকার নেই। সর্বশেষ চার ইনিংসে তাঁর রান ৪, ২, ২, ১। অথচ স্লগ ওভারে এই মাশরাফিই কতবার যে বাংলাদেশের ভরসা হয়েছেন! ২০০৭-এ ভারতের বিপক্ষে হোম সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেটার কথা মনে আছে? এই মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামেই ২১ বলে করেছিলেন ৪২। শুধু ২১ বলে ৪২-এর জন্য নয়, মাশরাফির সেদিনের ব্যাটিং মনে রাখার আরও কারণ আছে। আউট হওয়ার আগের ওভারে দীনেশ মঙ্গিয়ার বলে মেরেছিলেন পর পর চার ছক্কা। যুবরাজ সিংকে ছক্কা মেরেছিলেন তার আগের ওভারেও।

ওই ম্যাচ বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত না জিতলেও স্লগ ওভারে মাশরাফির ব্যাটে ঝড় উঠেছে, এমন অনেক ম্যাচেই জয় আছে বাংলাদেশের। সেসব ম্যাচের বেশ কয়েকটিতেই মাশরাফির ম্যান অব ম্যাচ হওয়া বলে দিচ্ছে জয়ের পেছনে তাঁর ব্যাটিং–ঝড়ের কতটা ভূমিকা ছিল। সেই মাশরাফি প্রায় দুই বছর কোথায় যে ডুব দিয়ে থাকলেন! ২০১৪ এর নভেম্বরে ঢাকায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২৫ বলে ৩৯ করেছিলেন। আজকের আগ পর্যন্ত মাঝের ১৩ ইনিংসে সর্বোচ্চ করেছিলেন ২১।

এর চেয়েও বড় কথা, মাশরাফির ব্যাট থেকে হারিয়ে গিয়েছিল মারকাটারি মেজাজ। এলোমেলো শট, পেস বোলিংয়ের সামনে সন্ত্রস্ত ভাব—সব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল আগের সেই ব্যাটিংটা বুঝি হারিয়েই গেছে তাঁর খেলা থেকে।

বোলিংয়ে সেই ধার নেই, ব্যাট হাতেও এলোমেলো; মাশরাফির নামের সঙ্গেই তো যায় না। অবশেষে ব্যাটে-বলে নিজের দিকে সবটুকু আলো কেড়ে নেওয়া সেই মাশরাফিই যেন ফিরে আসছেন আজ!

১৬৯ রানে ৭ উইকেট পড়ার পর উইকেটে আসেন। ৪৮তম ওভারে যখন আউট হলেন, স্কোরবোর্ডে ২৩১/৯। ২২ বলে ৪২ রানের ইনিংসে দুই বাউন্ডারির সঙ্গে তিন ছক্কা। ওয়ানডেতে মাশরাফির মোট ছক্কা হয়ে গেল ৫২টি। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তাঁর চেয়ে বেশি ছক্কা আছে কেবল তামিম ইকবাল (৬৪) ও মুশফিকুর রহিমেরই (৫৩)।

এরপর তো বল হাতে টপাটপ উইকেট তুলে নিলেন একে একে। এই তো সেই মাশরাফি!

Thursday, 28 July 2016

Dhaka Central Jail relocation completes Saturday

As the final part of relocating the Dhaka Central Jail outside the capital, some 6,000 prisoners will be shifted to newly built central jail in Keraniganj on the outskirts of the capital on Friday.
The jail authorities will begin shifting the prisoners at 6:00 am on Friday and it will continue till Saturday evening, according to a UNB report.

Sources at the Dhaka Central Jail said only mature male prisoners will be shifted to the new jail while VIP and female prisoners, militants, top terrors and convicted war criminals have already been sent to Kashimpur Central Jail in Gazipur on security grounds.
Inspector General (IG) of Prisons Brig Gen Syed Iftekhar Hossain himself will monitor the transfer process of prisoners, the largest-ever in Bangladesh’s history at a time.
Earlier on April 10, Prime Minister Sheikh Hasina formally inaugurated the new Dhaka Central Jail at Keraniganj. Though the prisoners were scheduled to be shifted to the new central jail by April, it had not been possible for various reasons, including security ground.
A jail officer said enough officials and jail guards were sent to the new central jail on Thursday. Trained cooks were also sent to the new jail so that prisoners can take their meal from Friday noon, he said requesting anonymity.
Around 20 prison vans have already been brought from other jails surrounding Dhaka for smooth shifting of the prisoners. All-out security measures have been taken deploying police, Rab and other law enforcement and intelligence agencies in different strategic points on roads leading to the new central jail from old one.
The new central jail is being built on 194.41 acres of land and the estimated cost rose to Tk 406 crore from its original project cost of Tk 337.08.
Of the 4,000 accommodation capacity in the new central jail, 100 seats will be for male adolescents, 30 for mentally-challenged male prisoners, 200 for woman inmates, 40 for female adolescent prisoners, 20 for female mentally-challenged prisoners.
Besides, 60 classified wards and 400 cells are also being constructed for dangerous prisoners.
A 200-bed hospital and a daycare centre have also been set up on the new premises at Rajendrapur under South Keraniganj, adjacent to Dhaka-Mawa Highway.

১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ৭নং সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক শুধু লোহাগাড়ার ননসমগ্র জাতির গৌরব ও অহংকার : ড. হারুন-অর-রশীদ


১৯৭১ সালের বীর মুক্তিযোদ্ধা ৭নং সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক শুধু লোহাগাড়ার নন বরং সমগ্র জাতির গৌরব ও অহংকার। দীর্ঘদিন পরে হলেও লোহাগাড়ায় বার আউলিয়া কলেজে উক্ত সেক্টর কমান্ডারের নামে একটি ভবন নামকরণ হওয়ায় তিনি খুবই আনন্দিত। শিক্ষাঙ্গনে এ স্মৃতি এক যুগান্তকারী মাইলফলক। বর্তমান প্রজন্মরা এ ভবনের নামের দিকে তাকিয়ে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে উজ্জীবিত করে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে। বার আউলিয়া কলেজের এ বিরল পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধান অতিথি এবং আগামীতে এ কলেজের অগ্রযাত্রা আরো গতিশীল করে বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করার জন্য কলেজ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি আন্তরিক থাকার আহবান জানান। ২৮ জুলাই বেলা ১২টায় কলেজ চত্বরে নবনির্মিত শহীদ মেজর নাজমুল হক ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও বৃক্ষচারা রোপনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশীদ উপরোক্ত মন্তব্য করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ ড. মোঃ রেজাউল কবির। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইন্ডিপেনডেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী। প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ফিজনূর রহমান। অধ্যাপক স্বপন কান্তি চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজ অধ্যক্ষ মোঃ ফয়েজ উল্লাহ চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক মোঃ জামাল উদ্দিন, সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক স্মৃতি সংসদ লোহাগাড়ার সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম. এম. আহমদ মনির। পবিত্র কোরআন, গীতা ও ত্রিপটক পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয় ।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবন উৎসর্গ করেছেন এ দেশের মুক্তি ও স্বাধীনতার জন্য। তাঁরই আহবানে মুক্তিযুদ্ধ সংঘঠিত হয় এবং বীর বাঙালীর নন্দিত সন্তানেরা অস্ত্র হাতে মাতৃভূমির মুক্তির জন্য যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। যুদ্ধে অগণিত মানুষ শহীদ হন এবং নির্যাতিত হন অসংখ্য নর-নারী। বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশ ও জাতির অম্লান স্মৃতি। এহেন স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে গিয়ে বার আউলিয়া কলেজে সেক্টর কমান্ডার শহীদ মেজর নাজমুল হক নামে ভবন নির্মিত হওয়ায় তিনি উক্ত কলেজের উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখতে পাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। তিনি কলেজের ভৌগোলিক অবস্থান, পরিবেশ ও বিভিন্ন উদ্যোগ দেখে কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, আগামীতে এ কলেজের আরো উজ্জ্বল ভবিষ্যত রচনা করতে অকুন্ঠচিত্তে সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দেন। একই সময় তিনি চলমান সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সোনার বাংলা গঠনে শিক্ষার্থীসহ সকলের ঐক্যমতভিত্তিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। সুন্দর পরিবেশ গঠন করতে পারলে বর্তমান সরকারের সুদূরপ্রসারী স্বপ্ন সোনার বাংলায় সোনা ফলনের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, সমাবেশ পূর্বে মহান অতিথিকে স্কাউট ও শিক্ষার্থীরা সারিবদ্ধভাবে সড়কের দু’পার্শ্বে দাঁড়িয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠান স্থলে নিয়ে আসেন এবং ওই সময় মহান অতিথি কলেজ চত্বরে একটি বৃক্ষচারা রোপন করেন। পরবর্তীতে ভবনের ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ভবন উদ্বোধন করেন।

Tuesday, 26 July 2016

কল্যাণপুরে ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান, নিহত ৯

রাজধানীর কল্যাণপুর বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন পাঁচ নম্বর সড়কের জাহাজ বিল্ডিং নামের একটি বাসায় ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযান চালিয়েছে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশ বলছে, এতে নয়জন ‘জঙ্গি’ নিহত হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৫১ মিনিট থেকে ৭টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত এ অভিযান চলে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে সকাল আটটার দিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহীদুল হক বলেন, নিহত ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি) সদস্য। ওই বাড়ি থেকে গুলশানের মতো বড় হামলার পরিকল্পনার তথ্য পুলিশের কাছে আগে থেকেই ছিল।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মারুফ হাসানের ভাষ্য, এক ঘণ্টা ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘অপারেশন স্টর্ম ২৬’ নামের এই অভিযান চালায়। পুলিশের সঙ্গে স্পেশাল উইপনস অ্যান্ড ট্যাকটিকস (সোয়াট), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ও বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল অভিযানে অংশ নেয়।
পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দেশের বিভিন্ন জায়গায় চলা অভিযানের অংশ হিসেবে গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে পুলিশ জাহাজ বিল্ডিং নামের ওই ছয়তলা বাড়িতে যায়। তিনতলা পর্যন্ত ওঠার পর ওপর থেকে দুজন ‘আল্লাহু আকবর’ বলে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ও বিস্ফোরকদ্রব্য ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে হাসান নামের একজন গুলিবিদ্ধ হন। পুলিশের দাবি, হাসান একজন ‘জঙ্গি’। তাঁকে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
প্রথম দফায় রাত দেড়টা পর্যন্ত পুলিশের সঙ্গে ‘জঙ্গিদের’ গুলিবিনিময় চলে। খবর পেয়ে সোয়াট, র্যাব ও ডিবি ঘটনাস্থলে যায়। এরপরে রাত সাড়ে তিনটার দিকে আরেক দফা গুলিবিনিময় চলে। ভোর ৫টা ৫০ মিনিট থেকে পুলিশ অভিযান শুরু করে। পুলিশ জানায়, একপর্যায়ে ‘জঙ্গিরা’ দরজা খুলে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গুলিবিনিময়ে নয়জন নিহত হয়।
সকাল আটটার দিকে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) শহীদুল হক ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান, একজনকে আটক করা হয়েছে। নিহত ব্যক্তিরা নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য। ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়াও ঘটনাস্থলে গেছেন।
অভিযানের সময় পুলিশ ওই এলাকা ঘিরে ফেলে। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই বাসায় পুলিশের তল্লাশি চলছে।

9 ‘militants’ killed in police drive

At least nine suspected militants were killed as the police raided an alleged hideout of the 'militants' near Kalyanpur bus stand in Dhaka city on Tuesday morning.
An operation called ‘operation storm 26’ was carried out at the Jahaj (ship) building in Kalyanpur area around 5:45am, according to additional commissioner Maruf Hasan of Dhaka Metropolitan Police (DMP).
The hour-long operation left nine 'militants' killed.
A few members of the police were said to have been injured.
Special Weapons and Tactics (SWAT) forces also took part in the operation.
A bomb disposal team arrived at the spot by the time this report is filed.

চবিতে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ তরুণ-তরুণী আটক


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘আপত্তিকর অবস্থায়’ বহিরাগত তরুণ-তরুণী আটক করেছে প্রশাসন। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
সোমবার (২৫ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ভেতরে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃত তরুণীর (১৮) বাড়ি ফতেয়াবাদে। তিনি নগরীর কুলগাও সিটি করপোরেশন মহিলা কলেজের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী। আর আটক তরুণ (২৮) সরকারি সিটি কলেজের এমবিএ শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছেন পুলিশের এসআই নুরুজ্জামান।
তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভেতরে পাহাড়ের পাদদেশ থেকে আপত্তিকর অবস্থায় তাদের দুজনকে আটক করা হয়। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী নন। পরে প্রক্টর স্যারের কাছে নিয়ে গেলে তিনি তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিতে বলেন।’
এ বিষয়ে প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী বলেন, ‘তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর এ ধরনের কাজ করতে আসবে না বলে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। বহিরাগতরা এখানে এসে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানহানি করবে তা আমরা চাই না।’

Friday, 22 July 2016

লোহাগাড়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩,আহত প্রায় অর্ধশতাধিক

লোহাগাড়া উপজেলায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩জন নিহত ও আনুমানিক অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে বলে সংবাদ পাওয়া গেছে।২২জুলাই সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টায় চুনতি ইউনিয়নের নলবনিয়া এলাকার খাঁনদিঘীর পাড় সংলগ্ন আরকান সড়কে যাত্রীবাহী দুটো বাসের সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনায় নিহত ৩জনের মধ্যে নুরুল আমিন (৩৫),তার বাড়ী চকরিয়ায় এবং অপরজনের নাম মোহাম্মদ ইছহাক(৫৫)। তবে,নিহত ৩জনের মধ্যে ছোট্ট শিশুটির পরিচায় পাওয়া যায়নি।দুর্ঘটনার পর পরই চুনতি ইউপির নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন জনু কোম্পানী দ্রুত ঘটনাস্হলে পৌঁছে স্হানীয় লোকজনের সহায়তায় আহতদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে প্রেরণ করেন।সে কারণে আহতদের সকলের নাম ঠিকানা জানা সম্ভব হয়নি।আহতদের মধ্যে যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন যথাক্রমে মনজু আলম(৪৫), তিনি চকরিয়ার বদরখাঁলী এলাকার গোলাম রহমানের পুত্র।রামু গর্জনিয়া এলাকার মৃত আলী হোসেনের স্ত্রী খদিজা বেগম(৫৫), মহেশখালি এলাকার মাসুকের স্ত্রী রীনা আক্তার(২৮), মহেশখালি এলাকার বিমল বড়ুয়ার স্ত্রী জুরানী বড়ুয়া,চকরিয়ার নতুন রাস্তার মাথা এলাকার মোহাম্মদ হোসেনের পুত্র মোহাম্মদ ইয়াছিন(৪০), মহেশখালি চিনি পাড়া এলাকার মোহাম্মদ ইলিয়াছের পুত্র হুমায়ুন কবির(৩০), মহেশখালি মাদার বাড়ী এলাকার বদর উদ্দিনের স্ত্রী মোহছেনা বেগম (৪৫), চকরিয়া বানিয়ার ছড়া এলাকার আমিরের স্ত্রী নুরুন্নাহার(৩০),গর্জনিয়া এলাকার নুর আহমদের পুত্র মোহাম্মদ হোসেন(৪৫), অপর মহিলার বয়স আনুমানিক ২৫ বছর এবং ২বছরের এক শিশু সন্তানের পরিচয় পাওয়া যায়নি।আহতদের মধ্যে মনজুর আলম,ইয়াছিন ও নুরুন্নাহার বেগম ছাড়া বাদবাকীদেরকে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ডিউটি অফিসার প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।ঘটনার প্রত্যক্ষ দর্শী সুত্রে জানা যায়,উল্লেখিত সময়ে শাহ আমিন সার্ভিসের চট্রগ্রাম অভিমুখী চট্টমেট্টো-জ-১১-০৮৭২ বেপরোয়া গতিতে আসছিল।একই সময়ে বিপরীত দিক অর্থাৎ কক্সবাজার অভিমুখী অপর একটি যাত্রীবাহী বাস চট্টমেট্টো-জ-০৫-০২৩০ ঘটনাস্হলে পৌঁছলে উভয় গাড়ির মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।এতে দুমুড়ে-মুচড়ে গিয়ে কক্সবাজার অভিমুখী যাত্রীবাহী বাসটি সড়কের এক পাশ কাৎ হয়ে উল্টে যায়।এবং অপর বাসটি সড়কের উপর দাঁড়িয়ে থাকলেও তার একটি সাইড মারাত্নকভাবে ক্ষতিগ্রস্হ হয়।ঘটনার সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্হলে পৌঁছে আহত ও নিহতদের খোঁজ খবর নিতে জোর তৎপরতা চালাতে দেখা গেছে।পরবর্তীতে দোহাজারী হাইওয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্হল থেকে গাড়ি ২টি তাদের হেফাজতে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।